
টরন্টো মেয়র অলিভিয়া চাউ সোমবার তার বাজেটের গুণাবলী জোরালোভাবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তার আমলে যে সর্বনি¤œ সম্পদ কর বৃদ্ধি তা বাসিন্দাদের জীবনকে আরও বেশি সাশ্রয়ী রাখার প্রয়োজনে। পাশাপাশি আট মাস পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মেয়র নির্বাচনে অংশ নেবেন কিনা সে ব্যাপারে তার কোনো ধারণা নেই বলেও জোর দিয়ে বলেন চাউ।
অক্টোবরের মিউনিসিপাল নির্বাচনে অংশ নেবেন কিনাÑএই প্রশ্ন করা হয়েছিল চাউকে। উত্তরে হেসে দিয়ে তিনি বলেন, আমি জানি না। আমি যেটাতে মনোযোগ দিচ্ছি তা হলো একটি সাশ্রয়ী ও যতœশীল নিরাপদ নগরী উপহার দেওয়া। আমি মনে করি, এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এটা কঠিন।
চাউয়ের সংশোধিত বাজেট সিটির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে সম্পদ কর ২ দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে, যা মেয়র হিসেবে তার প্রথম দুই বছরের চেয়ে অনেক কম। ওই দুই বছর বাড়ির মালিকদের যথাক্রমে ৯ দশমিক ৫ ও ৬ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি কর দিতে হয়েছিল।
সমালোচকরা বলছেন, সেবা না কমিয়েই সম্পদ কর কম বৃদ্ধির জন্য বাজেটে কিছু কমিউনিটি সেন্টারে মূলধনী কাজ বিলম্ব ও নগরীর সংরক্ষিত তহবিলে হাত দেওয়ার দিকে ইঙ্গি দিয়েছেন।
সিটি কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, ২০২৫ সালের মতোই টরন্টো ১১০ কোটি ডলারের মতো বাজেটারি চাপের মধ্যে পড়বে।
অন্টারিওর প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড নিশ্চিত করেছেন যে, নতুন চুক্তি ২.০ এর আলোচনার অংশ হিসেবে প্রদেশ সিটি কর্তৃপক্ষকে রাজস্বের নতুন কোনো ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ দেবে না।
মেয়রের সমালোচকদের অন্যতম এবং নিজেকে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করা কাউন্সিলর ব্র্যাড ব্র্যাডফোর্ড সিপি২৪কে সোমবার বলেন, চাউয়ের বাজেট আর্থিকভাবে দায়িত্বহীন এবং সমস্যার সমাধান না করে ভবিষ্যতের জন্য জিইয়ে রাখবে। এটা মেয়র চাউয়ের নির্বাচনী বাজেট এবং এর মাধ্যমে তিনি টরন্টোবাসীর ভোট কেনার আশা করছেন। পাশাপাশি এটাও আশা করছেন যে, তার মেয়াদে টরন্টোবাসীর ওপর যে রেকর্ড ভাঙা কর বাড়িয়েছেন তা তারা ভুলে যাবেন। আমি চাইব তিনি যেন জনগণের সঙ্গে সৎ হন এবং এ বছরের বাজেটের ফলে আগামী বছর ১০ শতাংশ কর বাড়বে।

