
রিভারডেল এরিয়ায় ২০২৪ সালে একটি বিড়াল হত্যা ও একটি রাকুনকে আহত করার ঘটনায় এক কিশোরের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ বাতিল করা হয়েছে। এই মামলায় ক্রাউন তথ্য-প্রমাণ হাজির করতে অনেক বেশি সময় নেওয়ায় বিচারক এক রুলিংয়ে অভিযোগ বাতিল করেন।
৯ জানুয়ারি প্রকাশিত অন্টারিওর বিচারপতি সেথ ওয়েনস্টেইনের রুলিংয়ে আদালতে বিচার কার্যক্রম বিলম্বের জন্য পুলিশকে দায়ী করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ওই কিশোরের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ স্থগিতের অনুমতি দিয়েছেন।
ওয়েনস্টেইন তার রুলিংয়ে লিখেছেন, মামলাটির বিচার কার্যক্রম বিলম্বিত হওয়ার কারণ সময়মতো সাক্ষ্য-প্রমাণ হাজির করতে ব্যর্থ হওয়া। এ কারণে মামলাটি বিচারকাজ শুরু হতে অনেক বেশি সময় লেগেছে।
টরন্টো পুলিশ ২০২৪ সালের আগস্টে ওই কিশোরকে গ্রেপ্তার করে। তখন তার বয়স ছিল ১৬ বছর। তার বিরুদ্ধে একটি বিড়াল হত্যার অভিযোগ আনা হয়। পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয়ভাবে একটি রাকুনকে আহত করার তিন কাউন্ট এবং মুক্তির শর্ত ভঙ্গ করায় অভিযোগ দায়ের করা হয় তাদের বিরুদ্ধে। কিন্তু অপ্রয়োজনীয়ভাবে একটি রাকুনকে আঘাত করার অভিযোগ পরবর্তীতে বাতিল করে ক্রাউন।
বিচারক বলেন, অভিযোগ দায়েরের পর মামলার জনস্বার্থের বিষয় বিবেচনা বরে তার নাম ও ঠিকানা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করা হয় এবং সেখানে তার কারাদ-ের দাবী করা হয়। কিন্তু তার বয়স বিবেচনায় ইয়ুথ ক্রিমিনাল জাস্টিস অ্যাক্টের অধীনে তার পরিচয় প্রকাশ কথা ছিল না।
অভিযোগ দায়েরের পর ওই কিশোরের বাবা-মা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি বিবৃতি পোস্ট করেন, যেখানে জনগণকে ওই কিশোরের বিচার না করার অনুরোধ করা হয়। সেই সঙ্গে তাদের পরিবারকে হুমকি দেওয়া বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়।
২০২৪ সালের অক্টোবরে ক্রাউন প্রমাণ হাজির করেন। কিন্তু সেখানে সাক্ষীর বক্তব্য, সার্চ ওয়ারেন্ট, ফটো ও ভিডিও, বহু কর্মকর্তার নোট এবং বডি-ওর্ন ক্যামেরার ফুটেক অনুপস্থিত ছিল।
কিন্তু ১৮ মাস বিলম্ব হওয়ায় বিবাদী পক্ষ অভিযোগ স্থগিতের জন্য আাবেদন করে। প্রাদেশিক আদালতের জন্য সর্বোচ্চ ১৮ মাসের বিলম্বের সুযোগ রয়েছে। ক্রাউন যুক্তি দেখান যে, পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রমাণ পেতে বিলম্ব সত্ত্বেও মামলাটি জটিল। যদিও বিচারক ভিন্ন রুলিং দেন।

