
টরন্টোর বেশ কিছু নেবারহুডের সড়কে আবারও ফিরছে ক্যাফে ও কর্ণার স্টোর। টরন্টো সিটি কাউন্সিল বৃহস্পতিবার এগুলো পরিচালনার পক্ষে সর্বসম্মত ভোট দেওয়ার পর এই সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
টরন্টোজুড়ে আবাসিক এলাকাগুলোতে আরও বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা পরিচালনার অনুমতি দেওয়া যায় কিনা তা নিয়ে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বিতর্ক চলছিল। বিকন্সফিল্ড ভিলেজ রেসিডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের একজন সদস্য এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলে প্ল্যানিং অ্যান্ড হাউজিং কমিটির সর্বশেষ সভায় এ নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনা হয়।
পিজ্জারিয়া বাদিয়ালিকে প্রদেশের ডিনামাইট উল্লেখ করে ওই সদস্য কীভাবে স্থানীয় বাসিন্দাদের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে তা দেখাতে এটিকে উদাহরণ হিসেবে হাজির করেন। রেস্তোঁরাটি আন্তর্জাতিক খ্যাতি পাওয়ার পর পিজ্জারিয়ার পৃষ্ঠপোষকরা বর্জ্য ফেলে রাখে এবং লাইন চলে যায় হাঁটা পথ পর্যন্ত।
পার্কডেল-হাই পার্কের কাউন্সিলর এবং টরন্টোর প্ল্যানিং অ্যান্ড হাউজিং কমিটির চেয়ার গর্ড পার্কস বৃহস্পতিবার বিকালে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, নেবারহুডের জন্য কোনটি সমস্যা তৈরি করে তা নিয়ে একেকজনের ভাবনা একেকরকম বলে আমি মনে করি। নেবারহুডের একজন বাসিন্দা হিসেবে আমি বলব, ডোভারকোর্টের যানজটই মূলত সমস্যা, লোকজনের পিজ্জা সংগ্রহ করতে যাওয়া নয়।
বৃহস্পতিবার কাউন্সিল সভায় এসব আবাসিক এলাকায় রেস্তোরাঁ স্টাইলের কিচেন অনুমোদন না দেওয়ার প্রস্তাব ২৩-২ বোটে পাস হয়। যেসব দোকান খাবার বিক্রি করবে তাদেরকে তা বাইরে থেকে প্রস্তুত করে আনতে হবে। পাশাপাশি লাটে ও কাপুচ্চিনোর মতো পানীয় প্রস্তুত করার অনুমতি থাকবে। এটা ক্যাফে চালু করার একটি সুযোগ এনে দিয়েছে।
আটটি ওয়ার্ডের আবাসিক এলাকায় এ ধরনের ব্যবসার অনুমতি দেওয়া হচেছ। এগুলো ড্যাভেনপোর্ট, পার্কডেল-হাই পার্ক, স্পাদিনা-ফোর্ট ইয়র্ক, টরন্টো-ড্যানফোর্থ, টরন্টো-সেন্টার, টরন্টো-সেন্ট পল’স, ইউনিভার্সিটি রোজডেল এবং বিচেস-ইস্ট ইয়র্ক।
সিটি অব টরন্টো মনে করছে, ২০৫১ সাল নাগাদ নগরীতে নতুন করে আসবেন কমপক্ষে ৭ লাখ মানুষ। এ ধরনের নেবারহুড শপের বাস্তবায়ন হবে বর্তমান ও ভবিষ্যতের সব বাসিন্দার দৈনন্দিন চাহিদা পূরণের যে কথা সিটি কর্তৃপক্ষ ভাবছে তার একটি উপায়।

