
নিপীড়করা ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার আবাসন সংকটকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে বলে জানিয়েছেন গৃহস্থালি নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিরা। ভ্যানকুভারের একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তারা এই মন্তব্য করেন।
রাইজ উইমেন’স লিগ্যাল সেন্টার ইন্টিমেট পার্টনার ভায়োলেন্সের শিকার ৪০ জনের বেশি ভুক্তভোগীর সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে। সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে প্রণীত এক প্রতিবেদনে তাদের সুরক্ষার জন্য আইনি সংস্কারের সুপারিশ কৃরা হয়েছে। পাশাপাশি আইনি সহায়তা সম্প্রসারণের সুপারিশও করা হয়েছে, যাতে করে ভুক্তভোগীরা ওই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন এবং নিরাপদ আবাসনের সুযোগ পান।
রাইজের আইনজীবী হ্যালি রিম্যাক ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। পাশাপাশি আইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ও দাতব্য সংস্থাগুলোর আরও অনেকেই ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রতিবেদনটি তৈরি করেন।
তিনি বলেন, ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার আবাসন সংকট প্রায় সময়ই লোকজনকে নির্যাতনমূলক সম্পর্কে থাকতে বাধ্য করে। কারণ, তারা সাশ্রয়ী বিকল্প আবাসনের সুযোগ পান না।
গত সপ্তাহেও ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় ইন্টিমেট পার্টনার ভায়োলেন্স বাড়তে দেখা গেছে। এদের মধ্যে দুইজনের বয়স ৬০ ও তার বেশি। জোহনা বেলন বলেন, বয়স্কদের মধ্যে ইন্টিমেট ভায়োলেন্স বাড়ছে এবং এ নিয়ে কাজ করা ব্যক্তি ও সংগঠনগুলো বিষয়টি নিয়ে কিছু করার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, নিপীড়করা আবাসন সংকটকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহা করছে। লোকজনের জন্য বিকল্প আবাসনের সুযোগের অভাবকে তারা সহিংসতার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। সুতরাং লোকজনকে এমন সব হুমকির সম্মুখীন হতে হচ্ছে, যেখানে বলা হচ্ছে, তুমি যদি আমাকে ছেড়ে যাও তাহলে তোমার কোথাও যাওয়ার জায়গা থাকবে না।

