
বিদেশি হস্তক্ষেপের বিষয়টি কানাডা কতটা গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে বেইজিং তা বুঝতে পারছে না বলে মন্তব্য করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সামনে বিষয়টি উপস্থাপনের পর এই মন্তব্য করেন কার্নি।
দক্ষিণ কোরিয়ার গিয়ংজুতে অনুষ্ঠিত এশিয়া প্যাসিফিক ইকোনমিক কোঅপারেশন ফোরামে যোগদান শেষে সাংবাদিকদের কার্নি বলেন, বিদেশি হস্তক্ষেপ নিয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা যে পরিমাণে উদ্বিগ্ন তারা সেটা মান্যতা দেয় বলে আমি মনে করি না। কিন্তু কানাডায় আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করি। এগুলো ঠেকানোর একটি কাঠামো আমাদের রয়েছে।
একইসঙ্গে চীনকে উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে শুক্রবার ৪০ মিনিট বৈঠক করেন কার্নি ও শি। ২০১৭ সালের পর এটাই দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক। সম্পর্কের ক্ষেত্রে উভয় পক্ষই এই বৈঠককে টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে উল্লেখ করেছে।
গত জানুয়ারিতে পরিচালিত এক গণতদন্তে কানাডিয়ান গণতান্ত্রিক ইনস্টিটিউশনগুলোকে লক্ষ্য করে বিদেশি হস্তক্ষেপকারী প্রধান দেশ হিসেবে চীনকে উল্লেখ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলোকে বেইজিং প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে বলেও তদন্তে তুলে ধরা হয়েছে।
কার্নি বলেন, কানাডার কৌশল হচ্ছে যেখানে অভিন্ন কারণ রয়েছে সেখানে একসঙ্গে কাজ করা। সেই সঙ্গে একে অন্যের মতপার্থক্যকে সম্মান জানানো। পাশাপাশি কানাডিয়ান স্বার্থকে রক্ষা করা।
তিনি বলেন, কানাডিয়ান ক্যানোলা, সিফুড এবং শুকরের মাংসের ওপর শুল্ক বাতিলে চীনকে রাজি করানোর যে লক্ষ্য তাতে অগ্রগতি তিনি আশা করছেন না। চীনা ভৈদ্যুতিক গাড়ির ওপর অটোয়া ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে চীন এই শুল্ক আরোপ করেছে।

