
গ্রীষ্মে বেশ কয়েকটি খরার পর সাস্কেচয়ানে গরুর মাংসের দাম বাড়তি রয়েছে। শুষ্কতা তৃণভূমি এবং গোখাদ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে, যা খামারীদের জন্য গরুর মাংস উৎপাদনকে কঠিন করে তুলছে।
শীতে যাতে খাবারের জোগান দেওয়া সম্ভভ হয় সেজন্য অনেক খামারী তাদের পশুর সংখ্যা কমিয়ে আনছেন। ভোক্তারা এর প্রভাব দেখতে পাচ্ছেন গ্রোসারি স্টোরগুলোতে। কারণ, মাংসের চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট সংখ্যক গরু খামারগুলোতে নেই।
সাস্কেচুয়ান ক্যাটেল অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস চেয়ার জোলিন শিয়া বলেন, প্রদেশজুড়ে কিছু খামারীর জন্য যদিও আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি চোখে পড়ছে তারপরও আগামী ১০ থেকে ১২ মাস মাংসের দাম উচ্চই থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। খামারে পশুর সংখ্যা বৃদ্ধিতে দুই বছরের মতো সময় লাগবে। সে পর্যন্ত খামারে যেসব গরু আসবে সেগুলো বাছুর এবং এরপর সেগুলো সরবরাহ ব্যবস্থার মধ্যে আসবে।
গরুর মাংসের দাম ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি সত্ত্বেও ব্যবসায় অবিশ^াস্য রকমের ব্যস্ততা রয়েছে বলে জানান স্থানীয় কসাই অ্যান্ড্রু বোরিস্কি। বিষয়টির ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, লোকজন স্থানীয়ভাবে আসছেন এবং কেনাকাটা করছেন। গত গ্রীষ্মের তুলনায় এখানে বড় পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আমরা সত্যিই খুব ব্যস্ত সময় পার করছি।
বোরিস্কি বলেন, মাংস শিল্পের উচ্চ চাহিদা পূরণের জন্য সামনের বছরগুলোতে কানাডায় আরও বেশি গরুর খামারের প্রয়োজন হবে। কানাডায় আরও বেশি মাংস উৎপাদনের প্রয়োজনীয়তার দিকে এগোচ্ছি আমরা। যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি চার লাখ মানুষের বিপরীতে গরুর খামার রয়েছে একটি। অন্যদিকে কানাডায় ১৬ লাখ মানুষের বিপরীতে খামারের সংখ্যা একটি। সুতরাং, স্থানীয়ভাবে আমাদের আরও বেশি মাংস উৎপাদনের দরকার হবে।

