
অর্থপূর্ণ ও লাভজনক চাকরি খুঁজে পেতে হিমশিম খাচ্ছেন টরন্টোর তরুণরা। এমনটাই বলছেন নগরজুড়ে পোস্টকার্ড উদ্যোগের পেছনের ব্যক্তিরা। এই উদ্যোগের আওতায় সাত হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর ওপর জরিপ চালানো হয়েছে।
টরন্টো ইয়ুথ এমপ্লয়মেন্ট পোস্টকার্ড রিপোর্ট উদ্বোধনের জন্য টরন্টো সিটি হলে জড়ো হন তরুণ ও নাগরিক সমাজের নেতারা। এই উদ্যোগের পেছনের মানুষজন বলছেন, তাদের উদ্যোগ টরন্টো সিটি কাউন্সিলকে ২০২৬ সালের গ্রীষ্মের মধ্যে তরুণদের জন্য আরও ১০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ফেব্রুয়ারিতে আনা প্রস্তাব অনুমোদনে সহায়তা করেছে। কর্মসংস্থানের এই ব্যবস্থা করা হবে টরন্টো ইয়ুথ এমপ্লয়মেন্ট প্রোগ্রামের মাধ্যমে। এই কর্মসূচি যাতে ফলপ্রসূ হয় সেই চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
তরুণ নেতৃত্বের সহযোগিতায় দি নেবারহুড গ্রুপ কমিউনিটি সার্ভিসেস তরুণদের চালিত যে নীতি গুলি প্রস্তুত করেছে সেখানে তরুণদের কর্মসংস্থানে জোরালো বিনিয়োগের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও তরুণদের মধ্যে যে সংঘাত তা নিরসনের উপায় হিসেেেবই এই বিনিয়োগের কথা বলা হয়েছে।
টরন্টোতে ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সীদের মধ্যে বেকারত্বের হার দাঁড়িয়েছে জুনে ১৫ দশমিক ৮ শতাংশ, প্রদেশে সার্বিক বেকারত্বের হারের প্রায় দ্বিগুন। এমনটাই উঠে এসেছে স্ট্যাটিস্টিকস কানাডার প্রতিবেদনে।
ইউনিাইটেড ওয়ে গ্রেটার টরন্টোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং প্রেসিডেন্ট হিদার ম্যাকডোনাল্ড বলেন, তরুণদের চাকরি প্রয়োজন এবং নগরীর নিয়োগদাতাদের প্রয়োজন মেধার। এই দুটি জিনিসের মধ্যে যখন আমরা সংযোগ স্থাপন করতে পারব তখন সমগ্র নগরীই এর সুফল পাবে। এবং শ্রমশক্তি উন্নয়ন কৌশল ছাড়া আমরা প্রজন্মের একটি সুযোগ হারানোর ঝুঁকিতে পড়ব। গ্র্যাজুয়েটরা কর্মবাজারে প্রবেশ করবেন, যে জন্য তারা প্রস্তুত নন।
তরুণদের জন্য ১০ হাজার চাকরির ব্যবস্থা করা সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গত বছর উত্থাপন করেছিলেন স্কারবোরো সাউথওয়েসেটর কাউন্সিলর পার্থ কান্দাভেল। তিনি বলেন, তরুণদের মধ্যে অস্ত্র সহিংসতা এবং কর্মসংস্থানের অভাবের মধ্যে একটি স্পষ্ট সম্পর্ক রয়েছে। কর্মসংস্থানের একটি অর্থ আছে। এর একটি উদ্দেশ্য আছে।
টরন্টো সিটি কাউন্সিল এই ফলে ১০ হাজার তরুণের কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রস্তাবটি পুনর্মূল্যায়ন করবে।
স্ট্যাটিস্টিকস কানাডা বলেছে, বর্তমানে তরুণদের মধ্যে বেকারত্বের যে হার তা মহামারি পূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে বেশি আছে। ২০১৭ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তরুণদের মধ্যে বেকারত্বের হার ছিল ১০ দশমিক ৮ শতাংশ।
গত মাসে কানাডিয়ান ন্যাশনাল এক্সিবিশন জানায়, অস্থায়ী ৫ হাজার চাকরির বিপরীতে তারা অনলাইনে আবেদন পায় ৫৪ হাজার।

