
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হতে বাকি আছে এক বছরেরও কম। এই কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো যখন আসরটি আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে তখন এতে সমস্যায় ফেলে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে উত্তেজনা ও মার্কিন নীতি।
আগামী বছরের ফিফা বিশ্বকাপ হবে এ যাবৎকালের সর্ববৃহৎ। তিনটি দেশ রেকর্ড ৪৮টি ম্যাচ আয়োজন করবে। ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত দলগুলো ১০৪টি ম্যাচ খেলবে। এগুলোর অধিকাংশই অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে।
এসব ম্যাচ দেখার জন্য লাখ লাখ ভক্ত সীমান্ত পাড়ির দেওয়ার প্রত্যাশা করছেন। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতি এক্ষেত্রে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। ট্রাম্পের এই অভিবাসন নীতির মধ্যে রয়েছে কিছু দেশের জন্য ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা, অভিবাসী ধরতে অভিযান এবং ব্যাপক হারে প্রত্যাবাসন।
স্পোর্টস ইকোনমিতে বিশেষজ্ঞ ম্যাসাচুসেটসের কলেজ অব হলি ক্রসের অধ্যাপক ভিক্টর ম্যাথেসন বলেন, এ সব কিছুর জন্যই দায়ী যুক্তরাষ্ট্র। এবং আমরা এখানে পুরোপুরি দোষী পক্ষ। ভক্ত ও খেলোয়াড়রা সীমান্ত পাড়ির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অভিবাসন সংক্রান্ত সমস্যার মুখে পড়তে পারেন।
১২টি দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া সাতটি দেশের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করে রেখেছে। আরও ৩৬টি দেশের ভ্রমণকারীদের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কথা ভাবছে ট্রাম্প প্রশাসন। যদিও অ্যাথলেট, স্টাফ ও পরিবারগুলো এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে রয়েছেন, তারপরও ট্রাম্প প্রশাসনের অনিশ্চয়তার অর্থ হলো টুনামেন্ট চলাকালে কী ধরনের নিয়ম চালু করা হবে কেউ তা বলতে পারছেন না।
বিশ্বকাপ আয়োজনের অর্থনীতি নিয়ে বই লিখেছেন অর্থনীতিবিদ অ্যান্ড্রু জিম্বালিস্ট। তিনি বলেন, লোকজনের ভ্রমণকে কঠিন করে তোলার ক্ষমতা ট্রাম্পের রয়েছে। তবে তিনি সেটা করবেন কিনা সেটা এখনো পরিস্কার নয়। আমার মনে ট্রাম্পের নিজের কাছেও এই প্রশ্নের উত্তর নেই।

