
গত ২০ জুলাই স্কারবোরোর থমসন মেমোরিয়াল পার্কে অনুষ্ঠিত হয় জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব টরোন্টো, কানাডা কর্তৃক আয়োজিত বার্ষিক বনভোজন ২০২৫। প্রতিবছরের মতো এবারও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এই বনভোজন। এক হাজারেরও বেশি অতিথির আগমনে মুখরিত হয়ে উঠে পিকনিক স্পট।
পিকনিক স্পটে স্থাপন করা হয় একটি আকর্ষণীয় ডিজাইনের ফটোবুথ। অতিথিদের ফটোবুথে সারিবদ্ধভাবে ছবি তুলতে দেখা যায়। খাবারের আয়োজনে ছিল সিলেটের ঐতিহ্যবাহী সাতকরা দিয়ে খাসির মাংস, বুটের ডাল, মুরগীর রোস্টসহ নানা সুস্বাদু পদ। খাবার শেষে ছিল পান-সুপারির বিশেষ ব্যবস্থা।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল পুরুষ, মহিলা ও শিশুদের জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। র্যাফেল ড্র-এর প্রথম পুরস্কার ছিল একটি ই-বাইক, যা স্পন্সর করেন রিয়েলটার বিবেক সেন রাজীব।
পিকনিকের সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন কনভেনর হোসেইন আহমেদ (লনি), কো-কনভেনর ফারুক আহমেদ এবং ফজলুল করিম, সদস্য সচিব ছিলেন আসজাদ বখত চৌধুরী। সার্বিক সহায়তায় ছিলেন সংগঠনের সভাপতি মাহবুব চৌধুরী (রনি) এবং সাধারণ সম্পাদক মেহেদী মারুফ। টি-শার্ট এবং র্যাফেল টিকেটের ব্যবস্থাপনায় ছিলেন মনসুর আহমেদ।
অতিথি আপ্যায়ন ও অভ্যর্থনায় ছিলেন মমবুল হুসেইন মঞ্জু, স্বর্ণালী মুক্তা এবং আসজাদ বখত চৌধুরী। খাবার ব্যবস্থাপনায় যুক্ত ছিলেন রাসেল আহমেদ, এজাজ চৌধুরী, আবু জহির শাকিব, হাবিবুর রহমান চৌধুরী, আব্দুস সালাম, আলী হোসেন, হাসান তারেক ইমাম, রাফে চৌধুরী, লায়েক চৌধুরী, সঞ্জীব রায়, আমিনুর চৌধুরী, গিয়াস রহমান, রাহী রহমান, শিপন, আরিফ।
ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পরিচালনায় ছিলেন জুয়েল আহমেদ, রিফ্ফাত নূয়েরীন, নাহিদ আহমেদ এবং নাঈম চৌধুরী।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন ইলিয়াছ খান, আহমেদ জয়, জাহানারা নাসিমা, তাহমিনা চৌধুরী প্রমুখ।
ফাইনান্স পরিচালনায় ছিলেন মাসুম মুনিম, তাফাসিন চৌধুরী এবং বিবেক সেন।
জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব টরন্টোর বার্ষিক বনভোজন এখন আর শুধু সিলেট বিভাগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়—এটি হয়ে উঠেছে সমগ্র প্রবাসী বাংলাদেশিদের এক মিলনমেলা।
জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব টরন্টোর স্বেচ্ছাসেবক টিম দিনভর অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছে সংগঠন।
সবার সহযোগিতায় এ বছরের বনভোজন ছিল সফল ও স্মরণীয়। জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব টরন্টোর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

