
জুনে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়েছে বলে ধারণা করছেন অর্থনীতিবিদরা। পণ্য মূল্যের ওপর মার্কিন শুল্কের কী প্রভাব পড়তে পারে ব্যাংক অব কানাডা তা খুঁজে দেখছে।
সিআইবিসি মনে করছে, জুনে মূল্যস্ফীতির বার্ষিক হার ১০ শতাংশীয় পয়েন্ট বেড়ে ১ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। সিআইবিসির জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ ক্যাথেরিন জাজ এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, পণ্যে মূল্যস্ফীতি গত মাসে মূল্য চাপ বাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডার শুল্ক নিয়ে বিবাদ এর সঙ্গে কিছুটা সম্পর্কযুক্ত থাকতে পারে।
আগামী ৩০ জুলাই সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে জুনের সিপিআই ইনডেক্স প্রকাশ হবে ব্যাংক অব কানাডার মূল্যস্ফীতির দিকে শেষবারের মতো নজর দেওয়া। ওই বৈঠকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতিনির্ধারণী সুদের হার টানা তৃতীয়বারের মতো অপরিবর্তিত রাখবে বলে প্রত্যাশা করছে আর্থিক বাজারগুলো।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর টিফ ম্যাকক্লেম গত মাসে বলেছিলেন, মূল্যস্ফীতির অস্বাভাবিক ওঠা-নামার দিকে নজর রাখছেন মুদ্রানীতি সংক্রান্ত নীতিনির্ধারকরা। কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রথম যে ধারণা করেছিল মূল্যস্ফীতির হার তার চেয়ে দৃঢ় হতে পারে। এটা কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার শুল্কের চরম মূল্য হতে পারে।
জুনে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ১ দশমিক ৯ শতাংশ হতে পারে বলে প্রত্যাশা করছে রয়্যাল ব্যাংক অব কানাডা (আরবিসি)। আরবিসির জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ ক্লেয়ার ফ্যান বলেন, কোর মূল্যস্ফীতির হার জুনে অনমনীয় থাকবে বলে তিনি মনে করছেন। অর্থাৎ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ১ থেকে ৩ শতাংশের যে লক্ষ্যমাত্রা তার উপরেই থাকবে। খাদ্য মূল্যস্ফীতি ভোক্তা মূল্য সূচককে উর্ধ্বমুখী রাখবে বলে ধারণা করছে আরবিসি।

