
উচ্চ হারে অপরাধের সঙ্গে অব্যাহতভাবে যুদ্ধ করে যেতে হচ্ছে কানাডাকে। এই অবস্থায় অধিকাংশ কানাডিয়ান চান, ফেডারেল সরকার যেন আইন মেনে চলা আাগ্নেয়াস্ত্রের মালিকদের পরিবর্তে অপরাধীদের দিকে মনোযোগ বাড়ায়।
দি কানাডিয়ান ট্যাক্সপেয়ার্স ফেডারেশনের জন্য পরিচালিত লেজার সার্ভের এক সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৫৫ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, কানাডিয়ান অস্ত্র নীতির উচিত যুক্তরাষ্ট্র থেকে কানাডায় যাতে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র চোরাচাল না হয় সেদিকে মনোযোগ দেওয়া। এর বিপরীতে সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ২৬ শতাংশ কানাডিয়ান বলেছেন, সরকারের উচিত নির্দিষ্ট মডেলের আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রি ও মালিকানা নিষিদ্ধ করা। সেই সঙ্গে মালিকদের বাইব্যাক কর্মসূচির আওতায় এসব অস্ত্র ফিরিয়ে দিতে রাজি করানো।
সমীক্ষায় দেখা গেছে, কাানডিয়ানদের বৈধ অস্ত্রের মালিকানা নায়, অবৈধ অস্ত্র চোরাচালানই এর মূল কারণ সে ব্যাপারে কানাডিয়ানরা ওয়াকিবহাল। এই কর্মসূচিতে বিলিয়ন বিলয়ন ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা অকার্যকর এবং অর্থের অপচয় বলে মনে করেন অধিকাংশ কানাডিয়ান।
ট্রুডোর লিবারেল সরকারের প্রণীত অস্ত্র নীতির মূল লক্ষ্য সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অস্ত্র চোরাচালান বন্ধের পরিবর্তে কানাডার লাইসেন্সধারী অস্ত্রের মালিকদের নিরস্ত্র করা। কানাডার অস্ত্র আইন শক্তিশালী করা ছিল ট্রডো সরকারের দীর্ঘ ও বিশৃঙ্খল এক রাস্তা। লিবারেলরা ২০২০ সাল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র বাজেয়াপ্ত করার কর্মসূচি কার্যকর করার চেষ্টা করছে। যদিও সাফল্য এসেছে সামান্যই। কোনো ধরনের অস্ত্র বাজেয়াপ্ত না করেই গত বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই কর্মসূচিতে ফেডারেল সরকারের ব্যয় হয়েছে ৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার।
চলতি বছরের ১৬ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত এক হাজার ৫৩৭ জন প্রাপ্ত বয়স্ক কানাডিয়ানের ওপর অনলাইনে সমীক্ষাটি চালানো হয়।

