
ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার স্বাস্থ্যকর্মী স্বল্পতায় সহায়তা করতে সীমান্তের উত্তরে পাড়ি জমাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের ১০০ এর বেশি নার্স। পরিচয়পত্র পরীক্ষার বিধান সহজ করার মাধ্যমে দক্ষিণের বিশৃঙ্খলার সুযোগ নিতে প্রদেশ গত মাসে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করার পর ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় পাড়ি জমাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের এসব নার্স।
আলবার্টার প্রিমিয়ার ডেভিড এবি এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী জোসি অসবর্ন নোমবার বলেন, এখানে প্র্যাক্টিস করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ১১৩ জন এরই মধ্যেনিবন্ধন পেয়েছেন। গত এপ্রিলে সরকার যুক্তরাষ্ট্রে প্রশিক্ষিত নার্সদের প্রদেশে কাজ করা সহজ করতে শর্তে পরিবর্তন আনার পর তারা নিবন্ধন করেন।
ভিক্টোরিয়ায় তারা সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে এক হাজার ২০০ জন ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার ব্যাপারে তাদের আগ্রহ ব্যক্ত করেছেন। এর মধ্যে চিকিৎসক রয়েছেন ৫৭৩ জন, নার্স ৪১৩ জন এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য পেশাজীবী ৩৯ জন। ৪১৩ জন নার্সের মধ্যে ১৭৭ জন ব্রিটিশ কলাম্বিয়া কলেজ অব নার্সেস অ্যান্ড মিডওয়াভসে আবেদন করেছেন। তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে আবেদনগুলো যাচাইয়ের বাধ্যবাধকতা রাখেনি প্রদেশ।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রশিক্ষিত ঠিক কতজন চিকিৎসকের আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে সে সংক্রান্ত কোনো তথ্য এখনো জানা যায়নি। এ সংক্রান্ত আরও তথ্য শিগগিরই পাওয়া যাবে বলে জানান এবি। তিনি বলেন, যারা এটা দেখছেন সেইসব আমেরিকানের কাছে আমার বার্তাটি পরিস্কার। ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় আপনাদের মূল্যায়ন করা হবে। আপনাদের অংশগ্রহণকে সম্মান জানানো হবে। এবং লোকজন কত আয় করে তার ভিত্তিতে নয়, কী মাত্রায় সেবা তাদের প্রয়োজন তার ভিত্তিতে তাদেরকে সেবা দেওয়ার সুযোগ পাবেন আপনারা।
প্রিমিয়ার বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হার ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার জিত। আরও বেশি স্বাস্থ্যকর্মী যুক্তরাষ্ট্র ছাড়বেন বলে তিনি আশাবাদী। কারণ, হোয়াইট হাউস অব্যাহতভাবে প্রজনন অধিকার, ভ্যাকসিন এবং রোগীর ব্যাংক হিসাবে যত কম অর্থই থাকুক না কেন তাদের স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তির ওপর আঘাত অব্যাহত রেখেছে।
ব্রিটিশ কলাম্বিয়া নার্সেস’স ইউনিয়নের ভাইস প্রেসিডেন্ট ট্রিস্টান নিউবি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নার্সদের আবেদনপত্র যাচাই সহজ করার পক্ষে দীর্ঘদিন ধরেই কথা বলে আসছে ইউনিয়ন।

