
চলতি বছর এখন পর্যন্ত টরন্টোর স্পিড ক্যামেরাগুলো ৩০০এর বেশিবার ভাংচুরের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়। এর ফলে কর্মসূচিটি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা ঘোষণা করার মাত্র কয়েক সপ্তাহ পর সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সিটিভি নিউজকে পাঠানো এক ইমেইলে সিটি কর্মীরা নিশ্চিত করেছেন যে, ২০২৫ সালের এখন পর্যন্ত তাদের অটোমেটেড স্পিড এনফোর্সমেন্ট (এএসই) ক্যামেরোগুলোতে ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। কিছু ঘটনায় ভাংচুরের মাত্রা এত বেশি ছিল যে, তা মেরামতের অযোগ্য হয়ে পড়ে।
সিটি কর্তৃপক্ষ স্পিড ক্যামেরার সংখ্যা ৭৬টি থেকে বাড়িয়ে ১৫০টিতে উন্নীত করার ঘোষণা দেওয়ার এক মাসেরও কম সময় পর এই উপাত্ত সামনে এল। গতি সংক্রান্ত কারণে সড়কে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে স্পিড ক্যামেরার সংখ্যা দ্বিগুণ করার ঘোষণা দিয়েছে সিটি অব টরন্টো।
পার্কসাইড ও অ্যালগনকিন এভিনিউয়ের কাছে একটি কুখ্যাত ক্যামেরা একাধিকবার নামিয়ে ফেলা হয়েছে। ক্যামেরাটি ৬৬ হাজারের বেশি টিকিট ইস্যু করার পাশাপাশি কয়েক লাখ ডলার জরিমানা আদায় করেছে। গত মাসে চতুর্থবারের মতো এটি কেটে নামিয়ে ফেলা হয়। এর কয়েক মাস আগে এটি নামিয়ে পাশের একটি পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়।
সিটি কর্তৃপক্ষ প্রকাশিত নতুন উপাত্ত বলছে, এই কর্মসূচির প্রতি শত্রুতা একটিমাত্র মোড়ের বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছে। সিটি কর্তৃপক্ষ বলছে, যখনই কোনো ডিভাইস ক্ষতিগ্রস্ত হবে তখনই টরন্টো পুলিশকে তা তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালে ঠিক ১২টি ক্যামেরা এমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়। এক্ষেত্রে প্রতিটি ক্যামেরা মেরামতে ব্যয় হয়েছে ১০ হাজার ডলার। এই ব্যয় সাধারণত বেসরকারি ঠিকাদাররাই বহন করে, ডিভাইস সচল রাখঅ যাদের দায়িত্ব।
টরন্টোর পরিবহন সেবার মহাব্যবস্থাপক বারবারা গ্রে সাম্প্রতিক সময়ের এই ভাংচুর নিয়ে খুব সোচ্চার। তিনি বলেছেন, স্পিড কামেরা যাতে সহজেই ট্যাম্পার করা না যায় তা নিয়ে কাজ করছে সিটি। আমাদের অধিক সংখ্যক অটোমেটেড স্পিড ক্যামেরা স্থায়ী পোল-মাউন্টেড ক্যামেরায় রূপান্তরে কাজ করছি আমরা।

