
স্থুলতার সঙ্গে বসবাসকারী শিশু ও তরুণদের কীভাবে চিকিৎসা দেওয়া হবে সে সংক্রান্ত নীতিমালা প্রকাশ করেছে কানাডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নাল (সিএমএজে)। প্রায় ২০ বছরের মধ্যে এটাই এ ধরনের প্রথম নীতিমালা। নতুন এই নীতিমালায় আগাম চিকিৎসা, ব্যক্তিগত যতœ এবং ঐতিহাসিক ‘ইট লেস, মুভ মোর’ ভঙ্গি থেকে সরে আসা হয়েছে।
ওবেসিটি কানাডার বৈজ্ঞানিক পরিচালক এবং ইউনিভার্সিটি অব টরন্টোর সাইকিয়াট্রির অধ্যাপক ড. সঞ্জীব সকালিংহাম বলেন, আমরা জানি এটা যদি এত সহজই হতো তাহলে এখনই বহু লোক তা করে ফেলত। এবং এ ধরনের সমস্যার মুখে আমাদের আজ পড়তে হতো না। সুতরাং স্থুলতার জন্য এটা মোটেই সুবিচার নয়।
সিএমএজেতে যে ১০টি সুপারিশ প্রকাশ করা হয়েছে তাতে সবচেয়ে বেমি জোর দেওয়া হয়েছে মানসিক স্বাস্থ্য এবং উন্নত জীবন-যাপনের ওপর।
ওবেসিটি কানাডার অ্যাডভোকেসি ও সম্পৃক্ততা সম্পর্কিত পরিচালক ইয়ান প্যাটন বলেন, স্থুলতা যে একটি দীর্ঘস্থায়ী অসুখ সে ব্যাপারে আমাদের বোঝাপড়া এখন অনেক উন্নত। এবং কীভাবে এটা কাজ করে সে ব্যাপারেও আমরা অবগত। সুতরাং, সুপারিশে জোর দেওয়া হয়েছে শুরুতেই চিকিৎসা নেওয়া এবং সময়মতো যতœ নেওয়ার ওপর।
সুপারিশে শিশুর একার আচরণের চিকিৎসার পরিবর্তে পরিবারকেন্দ্রিক যতেœর আহ্বানও জানানো হয়েছে। ওজেম্পিক অথবা ওয়েগোভির মতো সার্জারি ও জিএলপি-১ জাতীয় ওষুধের সুপারিশও করা হয়েছে। এগুলোর মদ্যে যেটি বেশি উপযুক্ত সেটি সেবনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে নীতিমালায়।

