
সরকারের আগ্নেয়ান্ত্র নিষিদ্ধের বিরুদ্ধে করা আপিল খারিজ করে দিয়েছে ফেডারেল কোর্ট অব আপিল। কেবলমাত্র যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহার উপযোগী এবং শিকার ও স্পোর্ট শুটিংয়ে উপযোগী নয় এমন আগ্নেয়াস্ত্র নিষিদ্ধ করেছে ফেডারেল সরকার।
লিবারেল সরকার ২০২০ সালের মে মাসে আগ্নেয়াস্ত্রের দেড় হাজার মডেল ও ধরন বেআইনি ঘোষণা করেছে। এর অর্থ হলো বৈধভাবে এগুলো ব্যবহার, বিক্রি বা আমদানির আর সুযোগ নেই।
অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কাজ করা ব্যক্তি ও সংগঠনগুলো সরকারের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। এই উদ্যোগকে তারা গণশুটিংয়ে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রমুক্ত করার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
এই নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতাকারীদের এক আবেদন ২০২৩ সালের অক্টোবরে নাকচ করে দেয় ফেডারেল কোর্টের বিচারক। অলাভজনক অ্যাডভোকেসি সংগঠন, আগ্নেয়াস্ত্রের মালিক, ব্যবসায়ী, শিকারি এবং বিনোদন ও স্পোর্ট শুটাররা এই রুলিংয়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন।
ফেডারেল কোর্ট অব আপিল গত মঙ্গলবার এক সিদ্ধান্তে রুলিংয়ের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক এই চ্যালেঞ্জ প্রত্যাখ্যান করে। আদালত বলে, ফেডারেল কোর্ট এক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ ও সঠিক কারণ পেয়েছে।
ফেডারেল সরকারের নিষিদ্ধ আগ্নেয়াস্ত্রের তালিকা বেড়ে আড়াই হাজারের বেশি দাঁড়িয়েছে। এগুলো সবই অ্যাসল্ট-স্টাইল আগ্নেয়াস্ত্র। দ্রুত গুলি ছুড়তে সক্ষম এসব আগ্নেয়াস্ত্র সেমি অটোমেটিক।
সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, কানাডায় শিকার ও স্পোর্ট শুটিংয়ের জন্য ১৯ হাজার অনন্য মডেলের অনিয়ন্ত্রিত আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে।
আপিলের পেছনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে কারণ ছিল তা হচ্ছে সরকার এক্ষেত্রে আইন অনুসরণ করেছে কিনা। বিশেষ করে যদি কানাডায় শিকার অথবা খেলাধুলার উদ্দেশে এগুলোর ব্যবহার যৌক্তিক হয়ে থাকে।
আপিলকারী পক্ষের সদস্য দ্য কানাডিয়ান কোয়ালিশন ফর ফায়ারআর্ম রাইটস আদালতের এই রুলিংকে কানাডিয়ানদের জন্য দুঃসংবাদ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

