
মিশ্র এয়ারক্রাফটের ফাইটার জেটের বহরের কথা চিন্তা করছে কানাডিয়ান সরকার। এই বহরে ফাইটার জেটের সংখ্যা প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা ৮৮টি এয়ারক্রাফটের চেয়ে বেশি হবে। এ শিল্পের সঙ্গে সয়শ্লিষ্ট একটি সূত্র এমনটাই জানিয়েছে।
বৃহৎ এই বহরে থাকতে পারে আমেরিকার লকহিড মার্টিনের তৈরি এফ-৩৫ এবং সুইডিশ এয়ারস্পেস ও ডিফেন্স ম্যানুফ্যাকচারার সাবের তৈরি গ্রিপেন। বিষয়টি সম্পর্কে একাধিক সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিটিভি নিউজকে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছে।
সিবিসি নিউজ প্রথম এক প্রতিবেদনে জানায়, মিশ্র জেটের বহরে ১০০টির বেশি এয়ারক্রাফট থাকতে পারে।
২০২৩ সালে ফেডারেল সরকার সিএফ-১৮ হর্নেটের পুরোনো বহরের স্থলে ৮৮টি এফ-৩৫ জেট কেনার ব্যাপারে অঙ্গীকার করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য উত্তেজনার মধ্যে ২০২৫ সালে এই ক্রয় পর্যালোচনা শুরু করে কার্নি সরকার।
এফ-৩৬ এয়ারক্রাফট ক্রয়ের চুক্তি কানাডা আগেই করেছে। কিন্তু বহর পূর্ণ করার ক্ষেত্রে কানাডা সরকার তাদের দিক বদলাবে কিনা সেই প্রশ্ন সামনে আসে।
গ্লোবালআই ক্রয়ের দর-কষাকষিতে কানাডা প্রবেশ করেছে বলে গত সপ্তাহে ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। গ্লোবালআই হচ্ছ সাবের তৈরি সর্বাধুনিক এরিয়াল সার্ভিল্যান্স সিস্টেম, যা কানাডার তৈরি জেট ব্যবহার করে।
সাবে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মার্চের শেষ দিকে সিটিভি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, গ্রিপেন ফাইটার জেট ক্রয় নিয়ে কানাডা সরকারের সঙ্গে জোরালো কথাবার্তা চলছে। তবে আমেরিকার তৈরি এফ-৩৫ সংক্রান্ত কানাডা কবে নাগাদ শেষ করেব সে ব্যাপারে কোনো সময়সীমার উল্লেখ করেননি তিনি।

