
পিকারিং নিউক্লিয়ার প্ল্যান্ট সংস্কারে কমপক্ষে ১১ বছর লাগবে। যদিও দক্ষ কর্মীর অভাব এবং সম্ভাব্য সমন্বয় প্রকল্পের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। অন্টারিও পাওয়ার জেনারেশনের (ওপিজি) নথিতে এমনটাই বলা হয়েছে।
ফ্রিডম অব ইনফরমেশন আবেদনের মাধ্যমে দ্য পিকারিং ইউনিটস ৫-৮ ফিজিবিলিটি অ্যাসেসমেন্ট ফাইনাল রিপোর্ট শীর্ষক প্রতিবেদনটি হাতে পায় সিটিভি নিউজ টরন্টো। তাতে বলা হয়, প্ল্যান্টটির সংস্কার কারিগরি ও অর্থনৈতিক দুইভাবেই লাভজনক।
যদিও অন্টারিওতে দক্ষ কর্মীর অভাবকে এর বড় ধরনের দুর্বলতা হিসেবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রকল্পের কারিগরি জটিলতাও একটি দুর্বলতা।
ওপিজি এবং বাইরের শিল্পের পূর্বাভাসে শ্রমিকদের মধ্য থেকে বয়লারমেকার, সনদধারী অ্যাসবেস্টস ইনসুলেটর এবং টানেলিং বিশেষজ্ঞ পাওয়াকে উচ্চ ঝুঁকির জায়গা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যেগুলোতে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া দরকার।
প্রতিবেদনে ২০২৩ সালের বিল্ডফোর্স কানাডার উপাত্তের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ২০৩২ সালের মধ্যে অন্টারিওর নির্মাণশ্রমিকের প্রায় ৩০ হাজার ৫০০ বাড়াতে হবে।
এনডিপির লেবার ক্রিটিক জেমি ওয়েস্ট বলেন, যেহেতু অন্টারিওর দক্ষ শ্রমিকদের বয়স বেড়ে যাচ্ছে এবং তারা অবসরে চলে যাচ্ছেন, তাই পর্যাপ্ত সংখ্যক দক্ষ শ্রমিক খুঁজে পাওয়ার ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে। এর অর্থ হচ্ছে খাতটির উচিত অগ্রিম পরিকল্পনা ও নিয়োগের দিকে মনোযোগ বাড়ানো। শ্রমিক পুলে সব দক্ষ শ্রমিক একইরকমভাবে সহজলভ্য নয়। এ কারণেই প্রতিবেদনে বয়লারমেকার, সনদধারী অ্যাসবেস্টস ইনসুলেটর এবং টানেলিংয়ে দক্ষ শ্রমিকের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্টারিওর শ্রম মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, প্রদেশ অর্থনীতিতে প্রায় ৬ লাখ ৭০ হাজার কর্মসংস্থান নতুন করে যুক্ত করেছে। পিকারিংয়ের সংস্কার কাজ আরও ১১ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে বলে প্রত্যাশঅ করা হচ্ছে।
তবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা ঝুঁকির বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি মন্ত্রীর কার্যালয়।

