বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৮, ২০২২
21.7 C
Toronto

Latest Posts

অনলাইনে ঘৃণা ও বর্ণবাদ রুখতে কড়া পদক্ষেপের দাবি

- Advertisement -

অনলাইন ঘৃণা ও বর্ণবাদের প্রশ্ন সামনে এলে এর সহজ কোনো উত্তর মেলে না। তবে কেবল সরকার নয়, সব কানাডিয়ানের প্রাত্যহিক জীবনের ভয় ও বৈষম্যগুলো খুঁজে বের করার প্রতিশ্রুতির মধ্যে এর একটা সমাধান রয়েছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

- Advertisement -

কানাডিয়ান রেস রিলেশন্স ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ হাশিম বলেন, বাস্তবসম্মত উপায়ে সব কানাডিয়ানের এ ব্যাপারে জোরালো ভূমিকার প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। আমাদের প্রত্যেকেরই ‘ক্রেজি আঙ্কেল’ রয়েছে। তাদের সঙ্গে বৃহৎ পরিসরে সংলাপে যাওয়া উচিত। কারণ, আমরা মনে করি বাড়িতে তারা ক্ষতিকর নয় এবং কোনো কিছু করছেও না। কিন্তু তারা হয়তো কোনো কিছুতে লাইক করছে, অনলাইনে শেয়ারও করছে। এগুলোই পরিবেশকে খারাপ করছে।

ঘৃণা ও বিদ্বেষ ছড়ায় এমন বক্তব্য দেওয়া কানাডায় নিষিদ্ধ। একই আইন যাতে অনলাইনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয় সেজন্য আইনটির শক্তিশালীকরণ ও আধুনিকায়ন জরুরি বলে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সতর্ক বাণী উচ্চারণ করে আসছেন বিশেষজ্ঞরা।

ইসলামোফোবিয়া বন্ধের পরিকল্পনা প্রণয়নে জরুরিভিত্তিতে কার্যক্রম গ্রহণের জন্য হাউজ অব কমন্সের সদস্যরা সর্বসম্মতভাবে সরকারের প্রতি দাবি জানান। ইহুদি বিদ্বেষের বিরুদ্ধে লড়াইকে সামনে রেখে একটি সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছেও।

সারাদেশ থেকে সংগৃহীত পুলিশের সাম্প্রতিক উপাত্ত বলছে, মহামারির মধ্যে ইসলামোফোবিয়া ও ইহুদি বিদ্বেষের পাশাপাশি এশীয়দের বিরুদ্ধে ঘৃণা প্রদর্শনও বেড়ে গেছে।

হাশিম বলেন, ঘৃণা রুখতে সরকারকেই যে প্রধান ভূমিকা নিতে হবে সেটা পরিস্কার। তবে সমস্যা সমস্যা সমাধান সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়।

ভুল ধারনা ছড়িয়ে দিতে পরিবারের যেসব সদস্য ও বন্ধু-বান্ধব বর্ণবাদী ও ঘৃণাত্মক ভাবনা প্রকাশ করে তাদের সঙ্গে সংলাপের গুরুত্বের দিকে নির্দেশ করেন তিনি। গত সপ্তাহে ফেসবুকে মন্তব্যটি করেন প্রোগ্রেসিভ কনজার্ভেটিভ পার্টির সাবেক প্রার্থী জেফ বেনেট।

- Advertisement -

Latest Posts

Don't Miss

Stay in touch

To be updated with all the latest news, offers and special announcements.