
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের সাম্প্রতিক হুমকির নিন্দা জানিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতারা। কানাডিয়ান পণ্যের ওপর ১ আগস্ট থেকে ৩৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক চিঠিতে তিনি এই হুমকি দিয়েছেন। হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা পরে স্পষ্ট করেন যে, এটা কেবল কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো চুক্তির আওতাধীন নয় এমন পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
ইউনিভার্সিটি অব টরন্টোর অর্থনীতির অধ্যাপক জোসেফ স্টেইনবার্গ বলেন, সিইউএসএমএকে অব্যাহতি দেওয়ার কোনো অর্থ নেই। এটা কেবল কথার কথা। এটা আমাদের অর্থনীতির ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না।
কানাডিয়ান ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্সের প্রধান ডেনিস ডারবি বলেন, ধাতু ও গাড়ি রপ্তানির ওপর বিদ্যমান যে শুল্ক এটা তার অতিরিক্ত। কানাস্কিসে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি দর-কষাকষির যে ঘোষণা দিয়েছিলেন এটা তার ওপর বাড়তি চাপ পয়োগ করবে।
বিভিন্ন ধরনের শুল্ক নিয়ে চুক্তিতে পৌঁছাতে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ৩০ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, সংশোধিত সময়সীমা ১ আগস্টের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে কাজ চালিয়ে যাবে কানাডা।
কানাডিয়ান চেম্বার অব কমার্সের প্রধান ক্যান্ডিস লেইং এক বিবৃতিতে বলেন, দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে ফলপ্রসূ যে বাণিজ্য অংশীদারিত্ব তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা অব্যাহত রাখবে এই শুল্ক। সেই সঙ্গে উভয় পক্ষকে একটি সত্যিকারের ও নির্ভরযোগ্য চুক্তিকে উপনীত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
টরন্টো রিজিয়ন বোর্ড অব ট্রেডের প্রদান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জাইলস ঘারসন বলেন, মার্কিন বাণিজ্য নীতি আরও একবার মোড় তাদের সদস্যরা গভীরভাবে হতাশ। কারণ, এর পেছনে অর্থনৈতিক কোনো যুক্তি নেই। ফেডারেল সরকারকে অবশ্যই সর্বোত্তম চুক্তির জন্য দর-কষাকষি করতে হবে। সেই সঙ্গে ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে নজর দিতে হবে তারা কী নিয়ন্ত্রণ করতে পারে সেদিকে।

