
মহান একুশের রক্তভেজা অহংকারের দিনে অনাড়ম্বর আয়োজনের মাধ্যমে ‘উচ্চারণ’-এর আত্মপ্রকাশ হলো।টরন্টো শহরের বাঙালি কমিউনিটির কবিতা ও সাহিত্য নিয়ে কাজ করেন এমন সকলেই উপস্থিত ছিলেন এই আয়োজনে। সদস্যদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন অদিতি ফৌজিয়া, আরিফুল ইসলাম রানা, ডমিনিক ডিক্রুজ, ফারহানা আহমেদ, ফ্লোরা নাসরীন ইভা, ফারজানা সোনিয়া, জিনাত বাশার, জামিল বিন খলিল, মাহমুদা কাওসার তিষা, ম্যাক আজাদ, মানসী সাহা, মম কাজী, নাজমা কাজী , রাশিদা মুনীর, রুমা বসু, সোমা সাঈদ, শিখা আহমাদ, সায়েদা রুখসানা বেগম, শামীমা হুমায়রা, তানজিন লিসা আসাদ, তানিয়া নূর, তাপস কর্মকার, জেরিন প্রমুখ।
উপদেষ্টাদের মধ্যে আছেন কবি ড. বাদল ঘোষ, লেখক সালমা বানি, লেখক ও শিল্পী সৈয়দ ইকবাল, সাদি আহমেদ সহ শহরের আরও অনেক গন্য মান্য ব্যক্তিরা।
কবিতা এবং আবৃত্তি নিয়ে অসাধারণ সব কাজ করার প্রত্যয় নিয়ে পথচলা উচ্চারণের। সংগঠনটির গঠন প্রক্রিয়ার শুরু থেকে আত্মপ্রকাশের অনুষ্ঠান পর্যন্ত অজস্র বন্ধু, শুভাকাঙ্খী, সুহৃদদের শুভেচ্ছা পেয়েছেন সদস্যরা। অবারিত ভালবাসা ও শুভকামনায় ভরে উঠেছে সংগঠনের সাথে জড়িত সকলেই । ফেসবুক পোষ্টে, টেলিফোনে, ইনবক্সে অনেকেই অভিনন্দন জানিয়েছেন, অনেকেই সম্ভাব্য সকল সহযোগিতার অঙ্গীকার করেছেন।
তাঁদের সবার প্রতি উচ্চারণ এর সকল সদস্যগন জানায় আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। সবার প্রতি তাদের অবারিত শুভেচ্ছা ও ভালবাসা। সবার অব্যাহত শুভেচ্ছা, সমর্থন, সহযোগিতা আর পথ-নির্দেশনায় উচ্চারণ হাঁটি হাঁটি পা পা করে পথ চলবে, ধীরপায়ে সামনে এগিয়ে যাবে- এই তাদের প্রত্যাশা ও দৃঢ় বিশ্বাস।
বাংলা কবিতার সাথে থাকার এবং উচ্চারণ-এর সাথে থাকবার অনুরোধ জানিয়েছেন সংগঠনটির সকল সদস্য।

