
প্রতিরক্ষা এবং সীমান্ত সংক্রান্ত অভিন্ন ইস্যুতে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করা উচিত বলে প্রত্যাশা মার্কিন সেনেটরদের দ্বিদলীয় একটি গ্রুপের। তবে এসব ইস্যুতে দ্রুত অগ্রগতির জন্য অটোয়ার সামরিক ব্যয় নীতিতে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন তারা।
হ্যালিফ্যাক্স ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি ফোরাম থেকে মারসিডিস স্টিফেনসনের সঙ্গে আলাপ করেন ইডাহোর রিপাবলিকান সেনেটর জেমস রিশ এবং নিউ হ্যাম্পশায়ারের ডেমোক্র্যাট সেনেটর জিয়ানি শাহীন। প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধির পদক্ষেপ না নিলে বাণিজ্যের মতো বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প মাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারেন বলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে তা নাকচ করে দিয়েছেন তারা। তবে রিশ বলেন, প্রতিরক্ষা খাতে বাজেটের অন্তত ২ শতাংশ ব্যয়ের ব্যাপারে ন্যাটোর যে বেঞ্চমার্ক সে ব্যাপারে কানাডার অগ্রগতি না হওয়ায় ওয়াশিংটন ক্রমেই অধৈর্য্য হয়ে উঠছে। আগামী আট বছরের মধ্যে এই লক্ষ্য পূরণের পরিকল্পনার কথা বলছে অটোয়া।
রিশ বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি এই মুহূর্তে ক্ষমতায় থাকতেন তাহলে তিনি বড় করে হেসে দিতেন। কারণ, সেটা অনেক দূরের বিষয়। আমাদের কাছে সেটা অনন্তকালের মতো। এটা এখনই করা প্রয়োজন।
রিশ বলেন, আর্কটিকের নিরাপত্তা রক্ষিত হচ্ছে কিনা সেটা নিশ্চিত করা নিয়েই যুক্তরাষ্ট্রের মাথাব্যথা, যাতে করে কানাডার মধ্য দিয়ে কোনো হুমকি না আসে। এ কারণেই নোরাডের মতো অভিন্ন প্রতিরক্ষা অঙ্গীকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, উত্তর থেকে আমাদের দিকে আসা হুমকির বিষয়টি কানাডিয়ানদের অবশ্যই অনুধাবন করতে হবে। এটা যদি আমাদের দিকে আসে তাহলে সেটা উত্তর থেকে আপনাদের দিকেও আসবে।
উভয় সেনেটরই ক্ষমতাধর পররষ্ট্র সম্পর্ক বিষয়ক মার্কিন সেনেট কমিটিতে আছেন্। কমিটিতে রিশ বর্তমানে রিপাবলিকান মাইনোরিটির র্যাংকিং সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মার্কিন নির্বাচনের পর আগামী জানুয়ারিতে সেনেটের নিয়ন্ত্রণ নিতে যাচ্ছে জিওপি।

