
পিকারিংয়ের বাসিন্দা এরিক গেরোইর বলছিলেন, তার পুরোনো হয়ে যাওয়া স্মার্টফোনটি বদলানোর প্রয়োজন ছিল। তাই তিনি একটি ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে ঢুঁ মারেন এবং ৭০০ ডলারে একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৪ ফোন পেয়েও যান। ফোনটি হাতে নিয়ে তিনি বলেন, সামনে থেকে এটি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৪ এর মতোই দেখাচ্ছিল এবং পেছনের অংশও ছিল আসল ফোনের মতোই।
বিক্রেতার কাছে ফোনের সব প্যাকেজিং ছিল। এমনকি রশিদও ছিল, যাতে মূল্য লেখা ছিল দুই হাজার ডলার। সঙ্গে কর।
গেরোইর বলেন, এ কারণেই আমি এটি কিনতে চেয়েছিলাম। এমনকি খোলার পরও এটি আসল ফোন বলেই মনে হচ্ছিল। এটি দেখতে একেবারেই আসল ফোনের মতো।
ফোনটির মূল্য হিসেবে ৭০০ ডলার পরিশোধ করার পর তিনি বাড়ি চলে যান এবং এরপর খেয়াল করেন যে, রশিদে বানান ঠিক নেই। এবং ফোনটি চালু করে দেখেন এটি অত্যন্ত ধীর। ঠিক তখনই তিনি বুঝতে পারেন যে, ফোনটি নকল।
গেরোইর আরও বলেন, আমি যে একটি ফ্রাঙ্কেনস্টাইন স্যামসাং ফোন কিনে ফেলেছি বাড়িতে আসার আগ পর্যন্ত তা আমার বোধে আসেনি।
এই অর্থ আমার কন্যার রেস্পে ব্যয় করার কথা ছিল। তাই প্রতারণার শিকার হওয়াটা সত্যিই খুব বিপর্যয়ের।
স্কারবোরো বাসিন্দা নাথানিয়েল লরেন্সও মনে করেছিলেন যে, কিজি থেকে তিনি সর্বশেষ সংস্করণের স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৪ ফোন কিনেছেন। লরেন্স বলেন, স্ক্যামাররা যে বক্স খুলতে পারে এটা আমার ধারণার মধ্যে ছিল না। তারা যে ফোন ট্যাম্পার করতে পারে এবং এরপর সেটা বিক্রি করতে পারেন সেটাও তার ধারণার বাইরে ছিল।
তিনি বলেন, আমার মনে হয়, তারা এটি খুলে যাতে এস২৪ এর মতো দেখায় সেজন্য কাস্টমাইজ করে। কিন্তু এটা আদতে সাধারণ একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন।
কনজ্যুমার রিপোর্টস (সিআর) বলেছে, ফেসবুক মার্কেটপ্লেস বা কিজি থেকে যারাই স্মার্টফোন কিনছেন তারাই ঝুঁকি নিচ্ছেন। আপনি যে ফোন ভেবে কিনছেন সেটি আসলে সেই ফোন নাও হতে পারে। আপনি হয়তো ভাঙা কোনো ফোন কিনছেন। অথবা আপনি হয়তো কোনো চোরাই ফোন কিনছেন।

