
ব্র্যাম্পটনে লাইসেন্সবিহীন কুকুরখানা পরিচালনার ঘটনায় প্রাণী কল্যাণ সম্পর্কিত ৯৬টি অভিযোগের মুখে পড়েছেন এক নারী। ওই কুকুরখানায় তার তত্ত্বাবধানে দুটি কুকুর মারা যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
প্রদেশের পক্ষ থেকে শুক্রবার বলা হয়েছে, পাঁচটি কুকুর মারা যাওয়ায় এবং আরও দুইডজন কুকুর বিপর্যয়কর অবস্থায় চলে যাওয়ার ঘটনায় ১৫ নভেম্বর জেসিকা কিপেন নামে ওই নারীর বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
প্রাদেশিক অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যাক্টের আওতায় কিপেনের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে বিপন্ন করার ঝুঁকি, বিপন্ন করা, বিপন্নের দিকে নিয়ে যাওয়া ও সেবার আদর্শমান সংক্রান্ত অপরাধের প্রতিটি ঘটনায় ২৪ কাউন্ট করে অভিযোগ। কোনো অভিযোগই এখন পর্যন্ত আদালতে প্রমাণিত হয়নি।
গত জুনে সিটিভি নিউজ টরন্টো দুজন কুকুরের মালিকের সঙ্গে কথা বলে। উভয়েরই দাবি, কিপেন পরিচালিত কুকুরখানায় তার তত্ত্বাবধানে থাকাকালে কুকুরগুলো মারা গেছে।
জেনুইন মনরো এর আগে সিটিভি নিউজ টরন্টোকে বলেন, তার দুটি বুডগের মধ্যে একটি কিপেনের বাড়িতে রাতে মারা যায়। হ্যা, সে মারা গেছে। সে চলে গেছে। সে এখন ফ্রিজারে রয়েছে। আমি তাকে ফ্রিজারে রেখে দিয়েছি।
মনরো ও তার পার্টনার বলেন, কিপেনের বাড়ির অন্দরের ভিডিওচিত্র তারা ধারণ করেছেন। সেখানেই কুকুরখানাটি পরিচালিত হতো। সেখানে এয়ার কন্ডিশনিংয়ের ঘাটতি ছিল এবং ডগ ক্রেটও ছিল হাতেগোণা কয়েকটি।
মনরো ফেসবুকে ভিডিওটি শেয়ার করেন। সেখানে আরেকজন মালিক মন্তব্য করেন, একই দিনে কিপেনের বাড়িতে তার কুকুরটিও মারা গেছে।
কিপেনের কুকুরখানার কাছাকাছি বসবাসকারী প্রতিবেশীরা বলেন, কয়েক বছর ধরেই বাড়িটিতে সমস্যা ছিল। অবসরপ্রাপ্ত একজন স্টেলকো কর্মী সিটিভি নিউজ টরন্টোকে বলেন, তিনি প্রভিন্সিয়াল অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার সার্ভিস (পিএডব্লিউএস) এবং সিটি অভ হ্যামিল্টনে একাধিক অভিযোগ দাখিল করেছেন।
কিপেন কেয়ার যে অন্ততপক্ষে ছয়টি বাইল লঙ্ঘন করেছে সিটি অব হ্যামিল্টন সিটিভি নিউজ টরন্টোকে তা নিশ্চিত করেছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ডগ লাইসেন্স নবায়ন না করা, চারটির বেমি কুকুর রাখা এবং লাইসেন্স ছাড়াই তা পরিচালনা করা।
কিপেন কেয়ার যে লাইসেন্সবিহীন সিটি আগেও তা নিশ্চিত করেছিল। সেই সঙ্গে তারা জানায়, বর্তমানে যেখানে ব্যবসাটি পরিচালিত হচ্ছে সেই ঠিকানা কুকুরখানা হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি নেই।

