Latest Posts

এলজিবিটিকিউ শরনার্থীদের পুনর্বাসন করতে দিতে চায় না কেনিয়া সরকার

- Advertisement -

নাইরোবির পাশে নি¤œ আয়ের একটি নেবারহুডে একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে রাতের খাবারের জন্য জড়ো হয়েছিলেন সাতজন মানুষ। স্থানীয় অনেকের মতোই তারাও কেনিয়ার পতাকাসহ জপমালাসম্বলিত ব্রেসলেট পরেছিলেন। কিন্তু অ্যানি যে ব্রেসলেটটি পরেছিলেন সেটিতে ছিল কানাডার পতাকা।

- Advertisement -

লিঙ্গনিরপেক্ষ সর্বনাম ব্যবহারকারী অ্যানি ছয় বছর ধরে কানাডায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। ভ্যানকুভারের একটি প্রাইভেট স্পন্সরশিপ গ্রুপ অ্যানি এবং দুই সন্তানকে পুনর্বাসনে প্রস্তুত। কিন্তু শরনার্থী মর্যাদার জন্য তাদের যে সাক্ষাৎকার নেওয়া প্রয়োজন ২০১৮ সালে তা প্রত্যাখ্যান করে কেনিয়া।

এলজিবিটিকিউ+ অধিকার নিয়ে বৈশি^ক অনুসন্ধানি সিরিজের অংশ হিসেবে দ্য কানাডিয়ান প্রেস কেনিয়া সফর করেছিল। এ সপ্তাহে প্রকাশিত তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেনিয়ান সরকার বেরোনো এবং সেক্সুয়াল ওরিয়েন্টেশন বা লিঙ্গ পরিচিতির কারণে যাদের আশ্রয় প্রয়োজন তাদের শরনার্থী মর্যাদার অনুমতি প্রায় বন্ধ রেখেছে। শরনার্থী মর্যাদা পাওয়ার জন্য এগুলোকে বৈধ যুক্তিই মনে করে না কেনিয়ান সরকার।

অ্যানি বলেন, আপনি যখন জানতে পারবেন না যে, আর কত সময় পর্যন্ত আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে তখন তা আর নেওয়া যায় না।

অ্যানি বেশ কয়েক বছর আগে উগান্ডা ত্যাগ করেন এবং বর্তমানে তারা নাইরোবিতে এলজিবিটিকিউ+ শরনার্থী বাবা-মায়েদের সাহায্যকারী সংগঠন রেইনবো সাপোর্ট অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি-আফ্রিকা পরিচালনা করছেন। কেন তারা উগান্ডা ছেড়ে এসেছে, যেখানে যুদ্ধের মতো পরিস্থিতি নেই? অ্যানির সন্তানদের সহপাঠীদের এই প্রশ্নের মুখে প্রায়ই পড়তে হয়। অনেক কেনিয়ানের ধারণা, উগান্ডার নাগরিকদের কেনিয়ায় আসার একমাত্র কারণ হচ্ছে তারা সমকামী। অ্যানি বলেন, তারা শিশুদের অন্তরঙ্গ প্রশ্ন করে। যেমন, তোমরা কি তোমার মাকে অন্য পুরুষ বা অন্য নারীর সঙ্গে দেখ। কারণ, আপনি উগান্ডার বাসিন্দা। এটা ভয়ঙ্কর। কিন্তু তারপরও আমরা টিকে আছি।

কানাডিয়ান কর্মকর্তারা বলছেন, অ্যানির মতো হাজারো এলজিবিটিকিউ+ মানুষের সমস্যা সমাধানে তারা কূটনৈতিকভাবে চেষ্টা করছেন, যারা কেনিয়ার শরনার্থী শিবির ও সেফ হাউসগুলোতে বাস করছেন।

নাইরোবির আরেক প্রান্তে ভিন্ন একটি সেফ হাউস পরিচালনা করেন ্্রবাহিম কাজিবুয়ে। তিনি বলেন, কেনিয়ার রাজধানী ও শরনার্থী শিবিরগুলোতে এটা মারাত্মক পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।

কাজিবুয়ে এক দশক আগে উগান্ডা থেকে পালিয়ে আসেন। প্রথম চার বছর তিনি জাতিসংঘের কাকুমা শরনার্থী শিবিরে ছিলেন। সেখানে পূর্ব আফ্রিকা থেকে আসা প্রায় ৩ লাখ মানুষ বসবাস করে।

- Advertisement -

Latest Posts

Don't Miss

Stay in touch

To be updated with all the latest news, offers and special announcements.