
দেশজুড়ে সিনিয়রদের অ্যাডভোকেসি অফিসের যে প্রয়োজনীয়তা রয়েছে অন্টারিওর নরউইচের একটি রিটায়ারমেন্ট হোমের অকস্মাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়া সেটাই সামনে এনেছে। সেই সঙ্গে এরকম পরিস্থিতিতে নিয়ন্ত্রকদের আরও বেশি ক্ষমতা দেওয়ার বিষয়টিও তুলে এনেছে ঘটনাটি।
১১ নভেম্বর বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা জানিয়ে ট্রিলিয়াম কেয়ার নরউইচ রিটায়ারমেন্ট হোম নিবাসীদের দুই সপ্তাহের নোটিশ দিয়েছে। এর ফলে সেখানকার ১৮ জন নিবাসীর পরিবারকে শেষ মুহূর্তে তাদের জন্য জায়গা খুঁজতে বাধ্য হতে হচ্ছে।
দ্য রিটায়ারমেন্ট হোম রেগুলেটরি অথরিটি বলেছে, এই বন্ধ রিটায়ারমেন্ট হোমস আইনের লঙ্ঘন। আইনে নিবাসীদের ১২০ দিনের নোটিশ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির একজন মুখপাত্র বলেন, কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে, এটা হোমগুলোকে তাদের দরজা বন্ধে বাধা দিচ্ছে। রিটায়ারমেন্ট হোমস অ্যাক্টের অধীনে কেউ যখন কোনো অপরাধ করে আরএইচআরএ তখন বিভিন্ন ধরনের এনফোর্সমেন্ট টুল ব্যবহার করতে পারে। এসব টুলের মধ্যে রয়েছে ব্যবস্থাপনা ও কমপ্লায়েন্স আদেশ প্রদান, প্রশাসনিক আর্থিক জরিমানা, লাইসেন্স প্রত্যাহার এবং প্রভিন্সিয়াল ওফেন্সেস অ্যাক্টের আওতায় বিচার করা।
তবে এই ঘটনায় ঠিক কোন ইনফোর্সমেন্ট ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকতে পারে সে ব্যাপারে কিছু বলেননি চ্যান।
তবে এ নিয়ে কাজ করা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, এই ঘটনা জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের আরও সুরক্ষা দেওয়ার বিষয়টি বড় করে তুলে ধরেছে। জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের জাতীয় সংস্থা ক্যানএজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লরা ট্যাম্বলিন ওয়াটস বলেন, এটা দেশজুড়ে আরও বেশি সংখ্যক অ্যাডভোকেসি অফিস শুরু করতে পারে।
ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় ২০১৪ সাল থেকে এবং নিউ ব্রান্সউইকে ২০১৭ সাল থেকে সিনিয়রস’ অ্যাডভোকেট আছে। আলবার্টাতেও ২০১৯ সাল থেকে সিনিয়রস’ অ্যাডভোকেট রয়েছে। এসব অ্যাডভোকেট জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের সঙ্গে তাদের প্রদেশে কী ধরনের আচরণ করা হচ্ছে তা দেখভাল করে থাকে। সেই সঙ্গে তারা সরকারকে রিপোর্ট করে এবং হস্তক্ষেপের সুপারিম করে।

