
পুরোনো প্রতারণায় এটা নতুন চমক। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করতে প্রতারকরা অ্যাকসেস কোড চুরির জন্য ফোন নাম্বার স্পুফিং করছে। এই ধরনের প্রতারণার শিকার হয়ে অন্টারিওর দুজন নারী ৮০ হাজার ডলারের বেশি খুইয়েছেন।
কানাডিয়ান অ্যান্টি-ফ্রড সেন্টার বলেছে, ব্যাংক ইনভেস্টিগেটর স্ক্যামের এই ধরনটির বিস্তার বাড়ছে।
ব্র্যাম্পটনের বাসিন্দা জোডি ল্যাং বলেন, স্কশিয়া ব্যাংকের ফ্রড ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে গত মে মাসে কেউ একজন তাকে ফোন করেন। এরপর তাকে বলা হয় যে, তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি সাইবার হামলার কবলে পড়েছে। এবং তহবিল সুরক্ষিত রাখতে তার ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড খামে ভরে দরজায় থাকা ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করা উচিত।
সিটিভি নিউজ টরন্টোকে ল্যাং বলেন, তিনি তাদের নির্দেশনা অনুসরণ করেন এবং প্রতারকরা তার অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ পেয়ে যায়। কবী হচ্ছিল আমি বুঝতে পারছিলাম না। শেষ পর্যন্ত ৫০ হাজার ডলার খোয়া যায় তার। আমি ভেবেছিলাম আমাদের সুরক্ষায় ব্যাংকের বোধহয় ফ্রড সিস্টেম আছে। তার ব্যাংক স্কশিয়া খেঅয়া যাওয়া অর্থ তাকে ফেরত দেয়নি।
ল্যাংয়ের সুনির্দিষ্ট বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করতে চাননি স্কশিয়া ব্যাংকের একজন মুখপাত্র। তবে তিনি বলেন, ব্যাংক প্রতারণার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে থাকে এবং গ্রাহকদের অব্যাহতভাবে এটা বলে আসছে যে, ব্যাংক কখনোই গ্রাহকের কাছ থেকে ওয়ান-টাইম-পাসওয়ার্ড, প্নিাইএন এবং ভেরিফিকেশন কোড ফোনের মাধ্যমে চায় না অথবা গ্রাহককে ব্যাংক কার্ড সংগ্রহ করতেও বলে না।
একই ধরনের ফোন পেয়ে গত জুলাইয়ে প্রতারণার শিকার হন অন্টারিওর ব্রকভিলের বাসিন্দা মেলাইন গার্ডনার। তিনি বলেন, আরবিসি ডিপার্টমেন্টের ফ্রড পরিচয়ে আমাকে ফোন করা হয়। এ সময় বলা হয় যে, তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি ঝুঁকিতে রয়েছে এবং তার তহবিল সুরক্ষিত রাখতে অর্থ স্থানান্তর করা উচিত। আমার অ্যাকাউন্টটি যে ঝুঁকিতে পড়েছে এটা আমাকে শতভাগ বোঝাতে সক্ষম হয় তারা। তাকে তার তহবিল ই-ট্রান্সফার করতে বলা হয়, পরবর্তীতে যা ফেরত পাওয়া যাবে। এভাবেই ৩৪ হাজার ডলার খুইয়েছেন তিনি।
গার্ডনার বলেন, আমি আতঙ্কিত। আমি একজন সিঙ্গেল মা এবং আমার উপার্জিত সব অর্থই খোয়া গেছে।

