
মন্ট্রিয়লের মাঘরেবি কমিউনিটির সদস্যরা ২৮ সেপ্টেম্বর বিকালে শহরের একটি পার্কে সমবেত হন। এ সময় তারা স্ট্রিট গ্যাংয়ের ব্যাপারে তাদের উৎকণ্ঠার কথা জানান। এই গ্যাংগুলো অপরাধ কর্মকা- পরিচালনার জন্য কিশোরদের প্রলুব্ধ করছে।
অনুষ্ঠানের আয়োজক হাদিরা বেলকাসেম বলেন, গ্যাং থেকে সন্তানদের ফিরিয়ে রনিতে বাবা-মায়েদের একত্র হওয়া প্রয়োজন। সেই সঙ্গে কীভাবে শিশুরা এই নিয়োগের ফাঁদে পড়ছে সে ব্যাপারে তদন্তের জন্যও কর্তৃপক্ষগুলোর প্রতি দাবি জানানো উচিত তাদের।
কুইবেকের শোকার্ত মুসলিম পরিবারের একটি গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বেলকাসেম। তিনি বলেন, তাদের সন্তানদেরকেও নিয়োগের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হতে পারে এই উদ্বেগ নিয়ে অনেক বাবা-মা তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।
প্রদেশে সম্প্রতি বেশ কিছু ঘটনার পর উত্তর আফ্রিকা বংশোদ্ভুত লোকজন ২৮ সেপ্টেম্বরের সমাবেশে জমায়েত হন। এসব ঘটনার মধ্যে ছিল আলজেয়িান বংশোদ্ভুত ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরের মৃত্যু। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কুইবেক সিটি থেকে ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণপূর্বে কুইবেকের ফ্র্যাম্পটন একটি হেলস অ্যাঞ্জেলস-লিঙ্কড বাঙ্কারের কাছে তাকে পাওয়া যায়।
প্রাদেশিক পুলিশ ওই কিশোরের পরিচয় বা মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কিছু জানায়নি। কিন্তু গণমাধ্যমের একাধিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগী সেইন্ট লিওনার্ডের মন্ট্রিয়ল বোরোর একজন কিশোর। এখানেই এই সমাবেশ অণুষ্ঠিত হচ্ছে।
প্রদেশের জননিরাপত্তামন্ত্রী সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে প্রকাশ্যেই ইস্যুটি স্বীকার করেছেন। বেলকাসেম বলেন, ওই কিশোরের মৃত্যুই কমিউনিটির সদস্যদের মদ্যে উদ্বেগ তৈরি হওয়ার একমাত্র কারণ নয়। দুর্ভাগ্যবশত আমাদের কমিউনিটিতে অসংখ্য মৃত্যু আছে। কুইবেকের আলজেরিয়া ও মরক্কো বংশোদ্ভুত ব্যক্তিরা বিশেষভাবে এর স্বীকার হয়ে থাকেন।

