
বৈশ্বিক অস্থিরতার এই যুগে কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া একই ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে বলে জানিয়েছেন উভয় দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা। সেই সঙ্গে সংঘাত এড়াতে পারস্পরিক সহযোগিতা শক্তিশালী করা অপরিহার্য। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এ ধরনের পরিস্থিতে পড়েনি বিশ^।
কানাডার প্রতিরক্ষামন্ত্রী বিল ব্লেয়ার এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মারলেস ৮ আগস্ট দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে চুক্তির ঘোষণা দেন। পাশাপাশি বৈশি^ক চ্যালেঞ্জ থেকে শুরু করে সাইবার হুমকি মোকাবিলায় সম্মিলিত সক্ষমতা জোরদারও এই চুক্তির লক্ষ্য।
এক সংবাদ সম্মেলনে বিল ব্লেয়ার বলেন, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়া উভয়েই প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশ এবং আমাদের দেশগুলোর নিরাপত্তার জন্য ইন্দো-প্যাসিফিক নিরাপত্তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু নিরাপত্তা আজ বিভিন্নভাবে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে ও কঠিন হচ্ছে। দ্বিতীয় বিশ^যুদ্ধের পর চীন যেকোনো দেশের তুলনায় বেশি উচ্চাকাক্সক্ষী সামরিক বাহিনীর দিকে ছুটছে। এবং নিজেদের স্বার্থের জন্য তারা আন্তর্জাতিক বন্দোবস্তকে বদলে দিতে চাইছে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করছেন মারলেস। ব্লেয়ারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের জন্য তিনি ভ্যানকুভারে ছিলেন।
বৈঠক শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে তারা ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের নিন্দা জানান। নিন্দা জানান দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের তৎপরতা, উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক মিসাইল পরীক্ষারও। পাশাপাশি তারা গাজায় যুদ্ধবিরতির আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।
চীন এবং রাশিয়া অব্যাহতভাবে বৈশি^ক শৃঙ্খলা বিঘিœত করে চলায় তাদের সশস্ত্র বাহিনী একসঙ্গে কাজ করবে বলে তারা প্রতিশ্রুতি দেন। ব্লেয়ার বলেন, কানাডিয়ান আর্কটিকে আমাদের সার্বভৌমত্ব চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে একাধিক সম্ভাব্য প্রতিকূলতা, বিশেষ করে রাশিয়া ও চীনের কারণে। ইন্দো-প্যাসিফিকে আমরা যেমনটা দেখছি এটা ঠিক তেমনই।

