এই গ্রীষ্মের মাসগুলোতে কুইবেকে প্রতিদিন গড়ে একটি করে শিশু পানিতে ডুবে বা ডুবতে বসার পর জরুরি বিভাগে আসে। নতুন এক গবেষণায় এমনটাই উঠে এসেছে।
সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠেয় কানাডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব পেডিয়াট্রিক সার্জন্সের বার্ষিক সভায় গবেষণার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হবে। মন্ট্রিয়ল শিশু হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক সার্জন ডা. হুসেইন উইসানজি বলেন, কিন্তু এি গ্রীস্মে যাতে মৃত্যু কমানো যায় সে লক্ষ্যে গবেষণার ফলাফল তিনি এখনই প্রচার করছেন। আমি মনে করি উপাত্তগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং একটি মৌসুম ও একটি গ্রীষ্মেও এটির অনুল্লেখ থাকা উচিত নয়। কারণ, এটা যদি কিছু শিশুকে ডুবে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে পারে সত্যি বলতে সেজন্যই আমরা গবেষণাটি করেছি।
কুইবেকের পাবলিক হেলথ ইনস্টিটিউট ও করোনার অফিসকে সঙ্গে তিনি গবেষণাটির নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেন, গবেষণায় ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সব শিশুর পানিতে ডুবে মৃত্যু, জরুরি বিমভাগে আসা অথবা হাসপাতালে ভর্তির তথ্য খতিয়ে দেখা হয়েছে। জুন, জুলাই ও আগস্টে গড়ে প্রায় ৯২টি শিশু পানিতে ডোবা বা ডুবতে বসার তথ্য পেয়েছেন গবেষকরা। এর অর্থ হচ্ছে প্রতিদিন প্রায় একজন।
গবেষণায় দেখা গেছে, পানিতে ডোবার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি এক ও চার বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে। এসব শিশুদের বেশিরভাগকে পুলে বিশেষ করে যেসব পুলে বেড়া দেওয়া নেই সেখানে ডুবতে দেখা গেছে। কুইবেকের আইনে পুলে সঠিক বেড়া দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও পুরোনো পুলগুলো এজন ২০২৫ সাল পর্যন্ত সময় পাচ্ছে।
এর বিপরীতে একটু বেশি বয়সী শিশুরা দুর্ঘটনাবশত হ্রদ বা নদীতে ডুবে যায়। সবগুলো ঘটনায় ডুবে যাওয়া সংক্রান্ত হাসপাতালে ভর্তির ঘটনা ঘটে সাধারণত সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে।
উইসানজি বলেন, গবেষণায় কেবলমাত্র ২০২১ সাল পর্যন্ত তথ্য নেওয়া হয়েছে। উপাত্ত প্রস্তুত হওয়্ াপর্যন্ত এটাই ছিল সর্বশেষ বছর। এরপর থেকে সংখ্যায় কোনো পরিবর্তন এসেছে কিনা আমরা তা বলতে পারছি না। যেসব বছরের গবেষণা করা হয়েছে সেগুলোতে ডুবে যাওয়ার ঘটনা মোটামুটি স্থিতিশীল ছিল। একমাত্র ব্যতিক্রম কেবল কোভিড-১৯ মহামারির প্রথম বছরে, যাকে তিনি উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছেন।


