
১৯৬১ সালের আগস্টের বুধবারের বিকালে বেম কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে অনেকটা গোপনে প্রিভি কাউন্সিল কমিটি কক্ষে ডাকা হয় ঝামেলাপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে আলোচনার উদ্দেশে। গ্রুপটি একটি পরিকল্পিত গবেষণা কর্মসূচির কথা ভাবছিল, যা হয়তো সেইসব লোকদের শনাক্তে সহায়তা করবে যাদের অস্থিরতা সংবেদনশীল সরকারি পদগুলোতে বসতে বাধা হয়ে দাঁড়াবে।
ওই অবস্থায় আরসিএমপি কমিশনার ও একাধিক উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে যোগ দেন কার্লেটন ইউনিভার্সিটির মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক ফ্রাঙ্ক রবার্ট ওয়েক। তিনি বিষয়টি পরীক্ষায় সহায়তার জন্য প্রস্তুত ছিলেন।
বৈঠকটি ছিল ফ্রুট মেশিনের দিকে গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ। এটা ছিল আসলে সমকামী কেউ আছে কিনা তা নির্ধারণের একাধিক পরীক্ষা।
১৯৫০ এর দশকে জেঁকে বসা এবং ৯০ এর দশকের গোড়ার দিক পর্যন্ত চালু থাকা এই নীতির আওতায় ফেডারেল এজেন্সিগুলো কানাডিয়ান সশস্ত্র বাহিনী, আরসিএমপি পাবলিক সার্ভিসে কেউ লেসবিয়ান ও সমকামী আছে কিনা তার তদন্ত, তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং কখনো কখনো বহিস্কারও করা হতো। কারণ তাদেরকে অযোগ্য বলে মনে করা হতো।
মন্ট্রিয়লভিত্তিক সাংবাদিক শন ডিয়ার্ন কুইয়ার লেজেন্ডস: অ্যান ওরাল হিস্ট্রি পডকাস্টের দ্বিতীয় সিজনে বিষয়টি তুলে এনেছেন। আট পর্বের প্রামাণ্যচিত্রটিতে এলজিবিটি পার্জের বিবর্তন এবং হাজার হাজার জীবনের ওপর এর প্রভাবের ওপর আলো ফেলা হয়েছে।
শন ডিয়ার্ন বলেন, এটা যে ঘটেছে সে ব্যাপারে জনগণকে সত্যি সত্যিই সতর্ক করতে চেয়েছি আমি। এটা যে ঘটেছে বহু কানাডিয়ানই তা ভুলে গেছেন।
পার্লামেন্টারি প্রেস গ্যালারিতে শন ডিয়ার্ন ছিলেন প্রথম প্রকাশ্য প্রেসিডেন্ট। এক সময় তিনি ফেডারেল পাবলিক সার্ভিসও করেছেন।

