
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে কানাডিয়ান ভোক্তারা তাদের খরচে লাগাম টানা অব্যাহত রেখেছেন। টিডি ইকোনমিকসের নতুন এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাড়তে থাকা বাণিজ্য উত্তেজনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কানাডিয়ান ভোক্তারা ব্যয়ে বিরতি দিয়েছেন। তারা চাকরি হারানো নিয়ে উদ্বেগে থাকায় তারা বড় কেনাকাটা করবেন এমন সম্ভাবনা কম। সহজ করলে বললে, ক্ষতি হয়ে গেছে।
দ্বিতীয় প্রান্তিকের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডে ব্যয়ের সাম্প্রতিক উপাত্তের ভিত্তিতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে সামগ্রিক ব্যয় যদিও গত বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে, তবে প্রথম প্রান্তিকের তুলনায় এই ব্যয় ৫ দশমিক ৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
টিডি বলছে, অধিকন্তু বছরের বাকি সময়জুড়ে এটা কমবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তবে বছরের শেষ দিকে পরিস্থিতি কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর আগ পর্যন্ত এই প্রবণতা অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্ট্যাটিস্কিটক কানাডার সাম্প্রতিক উপাত্তের সঙ্গে এই প্রবণতার মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে। স্ট্যাটিস্টিকস কানাডার উপাত্ত বলছে, এপ্রিলে কানাডায় খুচরা বিক্রি মার্চের তুলনায় দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে। যদিও মার্চে কানাডায় খুচরা বিক্রি ফেব্রুয়ারির তুলনায় দশমিক ৮ শতাংশ বেড়েছিল।
টিডি ব্যাংক গ্রুপের অর্থনীতিবিদ মারিয়া সোলোভিয়েভা বলেন, কার্বন ট্যাক্স বাতিল করার পর গ্যাস স্টেশনে ব্যয় বেড়েছে। অর্থাৎ, গ্যাস স্টেশনে সাশ্রয়ী ব্যয় হচ্ছে।
চলতি বছরের এপ্রিলের গোড়ার দিকে ভোক্তা কার্বন প্রাইস বাতিল করেন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, যা কার্ডে সার্বিক ব্যয় কমাতে ভূমিকা রেখে থাকতে পারে।
এদিকে টিডির পৃথক আরেকটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান অবস্থা চলতে থাকলে বাণিজ্য যুদ্ধের ফলে তৃতীয় প্রান্তিক শেষে আরও এক লাখ কর্মসংস্থান কমতে পারে। তবে এটা নির্ভর করছে সরকার এটা কীভাবে মোকাবিলা করে তার ওপর।

