
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও আমেরিকান অর্থনৈতিক আগাসন নিয়ে কানাডিয়ানদের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ছে। লেজার পরিচালিত নতুন এক সমীক্ষায় এমনটাই উঠে এসেছে।
১৪ থেকে ১৬ মার্চ দেড় হাজার প্রাপ্তবয়স্ক কানাডিয়ানের ওপর সমীক্ষাটি চালিয়েছে লেজার। তাতে দেখা গেছে, সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৪১ শতাংশের বেশি উত্তরদাতা এই তিনটি বিষয়কে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে দেখছেন, কানাডা যেগুলো মোকাবিলা করছে। এই হার ৩ মার্চ পরিচালিত সমীক্ষায় প্রাপ্ত ফলাফলের চেয়ে ১৩ পয়েন্ট বেশি।
সমীক্ষায় আরও উঠে এসেছে, শুল্ক, ট্রাম্প ও মার্কিন আগ্রাসন নিয়ে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগে আছে কুইবেকের বাসিন্দারা। সমীক্ষায় অংশ নেওয়া কুইবেকের ৫১ শতাংশ উত্তরদাতা এগুলোকে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে দেখছেন।
সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৪২ শতাংশ অন্টারিও, ৩৯ শতাংশ ব্রিটিশ কলাম্বিয়া, ৩৫ শতাংশ আটলান্টিক কানাডা, ৩২ শতাংশ ম্যানিটোবা ও সাস্কেচুয়ান এবং ২৬ শতাংশ আলবার্টার বাসিন্দা শুল্ক ও ট্রাম্পকে সবচেয়ে বড় ইস্যু হিসেবে উল্খে করেছেন, যা কানাডাকে মোকাবিলা করতে হচ্ছে।
কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক কতটা গণমাধ্যমের মনোযোগ কাড়তে পেরেছে সেটি বিবেচেনায় নিলে উদ্বেগ বৃদ্ধিতে অবাক হওয়ার মতো কিছু নেই। আসন্ন ফেডারেল নির্বাচনে যেটি সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়াবে তা হলো সামনে যা অপেক্ষা করছে কে সেগুলো ভালোভাবে মোকাবিলা করতে পারবেন সেটি। এর মধ্যে রয়েছে ক্রয়ক্ষমতা, শুল্কের প্রভাব ও প্রতিশোধমূলক শুল্কের কী প্রভাব সেগুলো।
২ এপ্রিল যদি নতুন করে শুল্ক কার্যকর করা হয় তাহলে মূল্যস্ফীতির চাপ যে বাড়বে তা নিয়ে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। এই মুহূর্তে সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি হচ্ছে মার্কিন আাগ্রাসন মোকাবিলা করা।
সমীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী, নারী ও পুরুষ সমানভাবে উদ্বিগ্ন। সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৪১ শতাংশ পুরুষ ও ৪০ শতাংশ নারী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ককে সবচেয়ে বড় ইস্যু হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ওয়াশিংটনের ব্যাপারে তরুণদের তুলনায় বয়স্ক কানাডিয়ানরা বেশি উদ্বিগ্ন।
সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৫৫ বছরের বেশি বয়সী ৫৪ শতাংশ উত্তরদাতা বলেন, এই মুহূর্তে কানাডাকে সবচেয়ে বড় যে সমস্যা মোকাবিলা করতে হচ্ছে তা হলো শুল্ক, ট্রাম্প ও মার্কিন আগ্রাসন এর সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন ৩৫ থেকে ৫৪ বছর বয়সী ৩৮ শতাংশ এবং ১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সী ২৩ শতাংশ কানাডিয়ান।

