
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের শহিদদের যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়েছে কানাডায়, গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে।
কানাডায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে ২৫ মার্চের গণহত্যা দিবস পালিত হয়, যেখানে ১৯৭১ সালের এই রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নৃশংস হামলার স্মরণ করা হয়। সারা দেশে চালানো সেই গণহত্যার শিকার শহিদদের স্মরণে আয়োজনটি ছিল অত্যন্ত আবেগঘন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই মোমবাতি প্রজ্বালনের মাধ্যমে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়—১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের সেই কালরাত্রি, নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে যারা শহিদ হয়েছেন, তাঁদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
গণহত্যা দিবস উপলক্ষে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। এরপর অনুষ্ঠিত হয় এক আলোচনা পর্ব, যেখানে কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মহামান্য নাহিদা সাবাহান দিবসটির তাৎপর্য নিয়ে বক্তব্য প্রদান করেন।
তিনি তাঁর বক্তব্যে ১৯৭১ সালের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। পাশাপাশি তিনি ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের ঘটনাকেও তুলে ধরেন, যা তিনি বাংলাদেশের মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও মুক্তির দীর্ঘ সংগ্রামের ধারাবাহিক অংশ হিসেবে বর্ণনা করেন।
অনুষ্ঠানের শেষাংশে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের সকল শহিদের আত্মার শান্তি ও দেশের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

