
কানাডা গত বছর অনেক বেশি সংখ্যক মানুষকে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে, যা এক দশকে ফেরত পাঠানো মোট সংখ্যার সমান। যাদের আশ্রয় প্রার্থনার আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়েছে তাদেরকেই ফেরত পাঠানো হয়েছে। রয়টার্সের হাতে আসা উপাত্তে এমনটা জানা গেছে।
গত বছর নভেম্বরের শেষ দিকে এসেই কানাডার বিদেশিদের ফেরত পাঠানোর সংখ্যা ২০১৫ সালের পর সর্বোচ্চে পৌঁছে যায়। ওই সময় ক্ষমতায় আসে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো নেতৃত্বাধীন লিবারেল পার্টি। প্রত্যাবাসনের জন্য এ বছর বাজেটেও বেশি অর্থ বরাদ্দ রেখেছে সরকার।
চূড়ান্ত সময়ে এসে ট্রুডোর সরকার কানাডিয়ানদের এটা দেখাতে চাইছে যে, শরনার্থী আবেদনের স্তুূপ বাড়তে থাকায় অভিভাসনের ব্যাপারে তারা কঠোর হচ্ছে। এ ছাড়া অভিবাসন আবাসন সংকটকে প্রকট করে তুলছে এমন উদ্বেগও এর পেছনে কাজ করছে।
কানাডার সীমান্ত সংস্থা বলেছে, ২০২০ সাল থেকে আশ্রয় প্রার্থনার আবেদন বৃদ্ধির সঙ্গে ফেরত পাঠানো বেড়ে যাওয়া সম্পৃক্ত। আশ্রয় প্রার্থনার আবেদন বেড়ে যাওয়ায় আরও দক্ষ ও সময়ানুগভাবে ফেরত পাঠানোর আদেশ কার্যকর করা হয়।
যারা স্বেচ্ছায় কানাডা ছেড়ে গেছেন তাদেরকে বাদ দিয়ে ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের উপাত্ত সীমান্ত সংস্থার কাছে চেয়েছিল রয়টার্স। পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ফেরত পাঠানো হয়েছে এমন ব্যক্তিদেরও তথ্যও চায়নি রয়টার্স।
এর পরিপ্রেেিক্ষতে তাদেরকে যে উপাত্ত সরবরাহ করা হয়েছে তাতে দেখা গেছে, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত কানাডা মোট ৭ হাজার ৩০০ জনকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। এই সংখ্যা ২০২৩ সালের তুলনায় ৮ দশমিক ৪ এবং ২০২২ সালের তুলনায় ৯৫ শতাংশ বেশি।

