
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কের ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আগামী মাসের মধ্যেই লিবারেলদের অবশ্যই সংসদের অধিবেশ আহ্বান করতে হবে বলে জানিয়েছে বিরোধী দলগুলো। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট দেখতে চান এমন পদক্ষেপের জন্য আইন পাসের প্রয়োজন নেই বলে সরকার জোর দিয়ে বলে আসছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওই আহ্বান শোনার জন্য লিবারেলদের কোনো তাড়া নেই এবং তারা নেতৃত্ব নির্বাচনের মাঝামাঝি অবস্থান করায় তাদের ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে।
ইউনিভার্সিটি অভ আলবার্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক ফ্রেডেরিক বয়লি বলেন, যা কিছু ঘটছে তার ওপর এই মুহূর্তে তাদের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। বার্তার ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এবং বিরোধী দলগুলোকে তাদের কথা শোনানোর চেষ্টা করছে।
কানাডা ও মেক্সিকোর ওপর শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা সোমবার স্থগিত করেন ট্রাম্প। এই শুল্ক আরোপ হলে উপমহাদেশে কার্যত বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু হতো।
প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেছেন, সীমান্ত সুরক্ষা এবং ফেন্টানাইল উৎপাদন ও পাচার বন্ধে কানাডার পরিকল্পনা তিনি ট্রাম্পের কাছে তুলে ধরেছেন। এর ফলে ট্রাম্প অন্তত ৪ মার্চ পর্যন্ত শুল্ক স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছেন।
সীমান্ত পরিকল্পনার অনেক কিছুই গত ডিসেম্বরে ঘোষণা করা হয়েছে। ১৩০ কোটি ডলারের প্যাকেজের অংশ হিসেবে এগুলো ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার ঘোষিত পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে আরও ২০ কোটি ডলার ব্যয়, মেক্সিকোর মাদক চোরাচালানিদের সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করা এবং মাদক নির্মুলে সমন্বয়ের জন্য একজন ফেন্টানাইল জার নিয়োগ দেওয়া।
জননিরাপত্তামন্ত্রী ডেভিড ম্যাকগিনটি বলেন, ২৪ মার্চের আগে সরকারের সংসদ অধিবেশ ডাকার প্রয়োজন নেই।
নতুন নেতা নির্বাচনে লিবারেলদের সময় দিতে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ৬ জানুয়ারি সংসদের অধিবেশন বন্ধ ঘোষণা করেছেন। আগামী ৯ মার্চ ভোটের মাধ্যমে ট্রুডোর উত্তরসূরী হিসেবে নতুন নেতা বেছে নেবে লিবারেলরা।

