
কানাডায় নতুন অভিবাসী প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন ২০২২ সালে দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করতেন। তাদের অধিকাংশের দারিদ্রই খুব গভীর। এমনটাই উঠে এসেছে স্ট্যাটিস্টিকস কানাডার এক প্রতিবেদনে।
প্রতিবেদনে কানাডিয়ান জনগণের বড় অংশের মধ্যে গভীর দারিদ্রের হার নিয়ে গবেষণা করা হয়েছে। তাতে দেখা গেছে, সাম্প্রতি সময়ে অভিবাসী, প্রতিবন্ধী, ওয়ান-প্যারেন্ট পরিবার এবং পরিবারের সঙ্গে বসবাস না করা সিঙ্গে ব্যক্তিদের মধ্যে এটা ব্যাপক।
স্ট্যাটিস্টিকস কানাডা বলেছে, জীবনযাত্রার মৌলিক মানদ-ের প্রতিনিধিত্বকারী পণ্য ও সেবার ব্যয় কোনো পরিবার ও ব্যক্তি নির্বাহ করতে না পারলে ওই পরিবার বা ব্যক্তিকে দরিদ্র বলা হয়ে থাকে। তাদের আয় এই মানদ-ের ৭৫ শতাংশ নিচে হলে তাদেরকে গভীর দরিদ্র বলা হয়ে থাকে।
অন্টারিওর ওয়েল্যান্ড হেরিটেজ কাউন্সিল অ্যান্ড মাল্টিকালচারাল সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক জ্যানেট ম্যাডাম বলেন, ফ্রন্ট-লাইন অর্গানাইজেশনগুলো বছরের পর বছর ধরে যা প্রত্যক্ষ করছে এটা তারই সাক্ষ্য দিচ্ছে। অভিবাসীদের মধ্যে দারিদ্র ব্যক্তিগত ব্যর্থতা নয়। এটা পদ্ধতিগত ব্যর্থতা। হস্তক্ষেপ ছাড়া এই পরিস্থিতি নিরবচ্ছিন্নভাবে খারাপ হতে থাকবে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রদেশগুলোর মধ্যে দারিদ্রের হার সবচেয়ে বেশি নোভা স্কশিয়ায়। প্রদেশটির ১২ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ ২০২২ সালে মৌলিক পণ্য ক্রয়ে অসমর্থ ছিলেন। এর পরের অবস্থান ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার এবং এ হার ১২ দশমিক ২ শতাংশ। তৃতীয় স্থানে থাকে ম্যানিটোবায় দারিদ্রের হার ছিল ১১ দশমিক ৯ শতাংশ এবং নিউফাউন্ডল্যান্ড অ্যান্ড ল্যাব্রাডরে ১১ দশমিক ৪ শতাংশ।
এ ছাড়া অতি দারিদ্রে সবার শীর্ষে অবস্থান ম্যানিটোবার। প্রদেশটিতে অতি দারিদ্রের হার ৬ দশমিক ৯ শতাংশ।

