
অর্থায়নে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন এ বছরই শেষ হচ্ছে। অর্থাৎ, এসব ভ্যাকসিন কেনার দায়িত্ব হবে প্রদেশ ও অঞ্চলগুলোর। ভ্যাকসিনেশনের সময় নির্ধারণের দায়িত্বও তাদেরই। এমনটাই বলেছে পাবলিক হেলথ এজেন্সি অব কানাডা।
অনলাইনে শুক্রবার এই তথ্য প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। পাশাপাশি ২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের গ্রীষ্ম পর্যন্ত ন্যাশনাল অ্যাডভাইজরি কমিটি অন ইমিউনাইজেশনের (এনএসিআই) কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নির্দেশিকাও প্রকাশ করা হয়েছে।
এনএসিআই ৮০ বছর ও তার বেশি বসয়ী জ্যেষ্ঠ নাগরিক, লং-টার্ম কেয়ার হোমের নিবাসী, প্রাপ্ত বয়স্ক এবং ছয় মাস ও তার বেশি বয়সী যেসব শিশুর রোগ প্রতিরোধক্ষমতা তুলনামূলক কম তাদের জন্য বছরে দুই ডোজ কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নেওয়ার সুপারিশ করেছে। এ ছাড়া ৬৫ বছর ও তার বেশি বয়সী, স্বাস্থ্যসেবা কর্মী এবং কোভিড-১৯ এর কারণে গুরুতর অসুস্থ হওয়রা ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের জন্য বছরে একটি ডোজের সুপারিশ করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে তাদের আগে ভ্যাকসিন নেওয়া থাকতে হবে।
উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তি বলতে বোঝানো হয়েছে আগে থেকেই স্বাস্থ্য সমস্যা আছে, গর্ভবতী নারী, ফার্স্ট নেশন, ইনুইট ও মেটিস কমিউনিটির রোকজন এবং বর্ণ সম্প্রদায়ের সদস্যদের। সবক্ষেত্রেই সর্বশেষ হালনাগাদ ভ্যাকসিন ব্যবহার করা উচিত বলে জানিয়েছে এনএসিআই।
যারা এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নেননি তারা যেকোনো সময় দুই ডোজ নিতে পারেন। কারণ, এই রোগটির জন্য দায়ী ভাইরাস সার্স-কভ-২ বছরব্যাপীই থাকবে। অ্যাডভাইজরি কমিটি বলেছে, সার্স-কভ-২ ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো নয়। এটি সারা বছরই ছড়াতে থাকে। এর কোনো সুস্পষ্ট ধরন নেই। ২০২৫ সালে উল্লেখযোগ্য নতুন ধরন শনাক্ত হলে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষগুলো এর সঙ্গে খাপ খাওয়াতে সক্ষম হালনাগাদ কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিতে পারে।

