Latest Posts

কুইবেকের স্কুলগুলোতে হাজারো ‘অযোগ্য’ শিক্ষক

- Advertisement -

আনুষ্ঠানিক কোনো সনদ ছাড়াই দুই দশক ধরে কুইবেকে ইংরেজি পড়াচ্ছেন হেনরি। তথাকথিত অযোগ্য শিক্ষক হিসেবে কঠোর পরিশ্রম করে তার পেশাটি শিখতে হয়েছে।

- Advertisement -

২০০৬ সালে যখন তিনি শিক্ষকতা শুরু করেন তখন অবাধ্য শিক্ষার্থীদের নিয়ে তাকে বেশ বেগ পেতে হতো। তিনি বিশ^বিদ্যালয় শিক্ষঅ শেষ না করায় শ্রেণিকক্ষ ব্যবস্থাপনার কৌশল তার জানা ছিল না। কুইবেকের সেন্ট-জেরোমের একটি স্কুৃলে এক বছরের চুক্তিতে দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে ইংরেজি পড়ানো ৪৬ বছর বয়সী হেনরি বলেন, আপনি এটা শুরু করতে পারেন এবং সময়ের সময়ের সঙ্গে শিখেও যাবেন। এখানে আপনাকে সাহায্য করার কেউ নেই। আপনি যদি কোনো সমস্যায় পড়েন তাহলে আপনাকেই তার সমাধান করতে হবে।

কুইবেকের স্কুলগুলোতে যে অযোগ্য শিক্ষকের সংখ্যা বাড়ছে হেনরি তাদের মধ্যে একজন। শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রাদেশিক সরকারের এদের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ছে। কারণ, শিক্ষকের স্বল্পতা তীব্র হচ্ছে, যা মানসম্পন্ন শিক্ষাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিচ্ছে।

অযোগ্য শিক্ষকদের বিশ^বিদ্যারয় ডিগ্রি থাকতে পারে, যা তাদের পাঠদানের বিষয় নয় অথবা আদৌ কোনো পোস্ট-সেকেন্ডারি শিক্ষা নাও থাকতে পারে। তারা বিভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে আসেন। কিন্তু একটা বিষয় অভিন্ন। তা হলো তারা কেউই পাঠদানের জন্য প্রাদেশিক সরকার কর্তৃক আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত নন।

প্রথা অনুযায়ী, কুইবেকের শিক্ষকরা ব্যাচেলর ডিগ্রি অর্জনের পর সনদপ্রাপ্ত হন এবং শিক্ষকতার লাইসেন্স পান। প্রদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় কর্মী স্বল্পতার কারণে প্রদেশ এক্ষেত্রে শর্ত শিথিল করেছে। কিন্তু অযোগ্য শিক্ষকদের সনদ পেতে প্রণোদনাও সেভাবে নেই। কারণ, তাদের চাহিদা এতটাই বেশি যে, প্রার্থীদের শিক্ষাগত ব্যাকগ্রাউন্ড না দেখেই স্কুল বোর্ডগুলো তাদের নিয়োগ দিচ্ছে।

ডিসেম্বরে কুইবেক শিক্ষা বিভাগ বলেছে, প্রদেশের সরকারি স্কুলগুলোতে অযোগ্য শিক্ষক রয়েছেন ৯ হাজার ১৮৪ জন। ২০২৪ সালের মে মাসে যেখানে ছিল ৮ হাজার ৮৭১ এবং ২০২৩ সালের মে মাসে ৬ হাজার ৬৫৪ জন। কিন্তু এই সংখ্যা শুধুমাত্র দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে কাজ করা শিক্ষকদের।

- Advertisement -

Latest Posts

Don't Miss

Stay in touch

To be updated with all the latest news, offers and special announcements.