
ফ্রেঞ্চ ও ইংরেজিভাষী বর্তমান ও সাবেক লিবারেল পার্টি কর্মকর্তারা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর স্থলে পরবর্তী যে লিবারেল নেতা আসবেন তাকে দ্বিভাষী হওয়া উচিত। সাবেক আবাসনমন্ত্রী শন ফ্রেজার বলেন, আমার মতে, লিবারেল পার্টির নেতার উভয় সরকারি ভাষায় কথা বলার দক্ষতা থাকা অত্যাবশ্যকীয়।
নোভা স্কশিয়ায় রাইডিং থেকে আর নির্বাচন না করার ঘোষণা দেওয়া ফ্রেজার বলেন, ভাষাগতভাবে সংখ্যালঘু ও কুইবেকের লোকদের বাস্তবতা বোঝার ক্ষমতা যদি একজন নেতার না থাকে তাহলে তার পক্ষে ভালো প্রধানমন্ত্রী অথবা লিবারেল পার্টির ভালো নেতা হওয়া সম্ভব নয়।
ফ্রেঞ্চ ভাষায় দক্ষতা আনতে ফ্রেঞ্চ ভাষা শিক্ষা কোর্স করছেন তিনি।
তবে ম্যানিটোবার এমপি কেভিন ল্যামোরো বলেন, এককভাষী প্রার্থীদের পদ্ধতিগতভাবে নেতৃত্বের দৌড়ে অযোগ্য ঘোষণা করা ঠিক বলে তিনি মনে করেন না। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এককভাষী কোনো প্রার্থীকে তিনি ভোট দেবেন না এবং দ্বিভাষী নন এমন কাউকে যদি তার দল নেতা হিসেবে নির্বাচিত তাহলে তার জন্য সেটা হবে খুবই অস্বস্তির।
লিবারেল পার্টি বৃহস্পতিবার বলেছে, ৯ মার্চ নতুন নেতার নাম ঘোষণা করা হবে। এ হিসেবে সম্ভাব্য প্রার্থীরা নেতৃত্বের দৌড়ে সামিল হবেন কিনা সেই সিদ্ধান্ত নিতে সময় পাচ্ছেন মাত্র দুই সপ্তাহ। দলীয় নেতৃত্ব থেকে ট্রুডোর পদত্যাগের সিদ্ধান্তের পর ফেডারেল নির্বাচন আসন্ন হয়ে ওঠায় নতুন লিবারেল নেতাকে কনজার্ভেটিভ নেতা পিয়েরে পয়লিয়েভর ও এনডিপি নেতা জাগমিত সিংকে মোকাবিলা করতে হবে। তারা উভয়েই ফ্রেঞ্চ ভাষায় সাবলিল।
মন্ট্রিয়লের সাবেক এমপি ফ্রাঙ্ক বেলিস এবং অন্টারিওর নেপিয়ানের এমপি চন্দ্র আর্য নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার কথা ভাবছেন ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার সাবেক প্রিমিয়ার ক্রিস্টি ক্লার্ক এবং ব্যাংক অব কানাডার সাবেক গভর্নর মার্ক কারনি।
ক্লার্ক সিবিসি রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, লিবারেল পার্টির নেতাকে অবশ্যই দ্বিভাষী হতে হবে। তিনি ফ্রেঞ্চ ভাষা পারেন। তবে আরও উন্নতি করতে হবে।

