
সোমবার রাতে ব্র্যাম্পটনের এক বিক্ষোভে ক্ষতিকর সামগ্রী নিক্ষেপকারী এক সন্দেহভাজনকে খুঁজছে পিল পুলিশ। তবে কোথায় ওই বিক্ষোভ হয়েছিল, পুলিশ তা জানায়নি। তারা বলেছে, বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে কর্মকর্তারা বিকাল ৪টা থেকে ভোর ৪টার মধ্যে দ্য গোর রোডে অবস্থান করছিলেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে পুলিশ বলেছে, পুলিশ কয়েক শ কমিউনিটি সদস্যের দ্বিতীয় বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে সেখানে গিয়েছিল পিল রিজিয়নাল পুলিশ। সমাবেশ সহিংস হয়ে উঠলে একে অবৈধ ঘোষণা করা হয়।
ওই সাবস্ট্যান্স নিক্ষেপের পর একজন ভুক্তভোগী সামান্য আহত হন এবং প্যারামেডিকরা ঘটনাস্থলেই তাকে চিকিৎসা দেন।
পিল পুলিশ বলেছে, আমাদের ধারণা হলো যেহেতু পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছিল, স্বাভাবিকভাবেই কমিউনিটির মধ্যে ভয়, ক্রোধ এবং উত্তেজনা বাড়ছিল।
ঠিক কোথায় ঘটনাটি ঘটেছে তা জানা যায়নি। পিল পুলিশ এর আগে একটি হিন্দু মন্দিরের বাইরে সমাবেশে অস্ত্র দেখতে পাওয়ায় তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। সেটা ছিল দ্য গোর রোড এবং টিভলার এভিনিউয়ে। তবে ঠিক কী অস্ত্র পুলিশ দেখেছিল তা স্পষ্ট নয়।
তার আগে রোববার বিকালে খালিস্তানি পতাকা হাতে হিন্দু সভা মন্দিরের বাইরে সমাবেশ সহিংস হয়ে ওঠে। ভারতে শিখ স্বাধীনতার দাবিতে বিক্ষোভকারীরা প্রার্থনারতদের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। ভারতীয় কর্মকর্তারা ওই সময় জ্যেষ্ঠদের জন্য আর্থিক কর্মশালার জন্য মন্দিরের ভেতরে ছিলেন।
ওই ঘটনার ভিডিওতে দুটি গ্রুপকে একে অপরের বিরুদ্ধে মারামারিতে জড়াতে দেখা যায় এবং অস্ত্র হিসেবে তারা লাঠি ও ফ্ল্যাগ পোল ব্যবহার করেন।
পিল রিজিয়নাল পুলিশের (পিআরপি) প্রধান নিশান দুরাইয়াপ্পাহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, বিরোধী পক্ষগুলো যখন একে অপরের বিরুদ্ধে সংঘাতে লিপ্ত হয় তখন তা বিপজ্জনক এবং বেআইনি হয়ে ওঠে। বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারী ইচ্ছাকৃতভাবে সংঘাতে উস্কানি দেন।
বিক্ষোভের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা পিল পুলিশ কর্মকর্তা নিজেও বিক্ষোভে সম্পৃক্ত হয়ে পড়ায় তাকে বরখাস্ত করা হয়। সংঘাতের ঘটনায় একজন পুলিশ কর্মকর্তাও আহত হন।

