
অন্টারিওর আরও বেশি সংখ্যক মানুষকে আয়রন ঘাটতির চিকিৎসা নিতে হতে পারে। নতুন নীতিমালায় রক্তে আয়রনের ন্যূনতম মাত্রা নামিয়ে আনার পর এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো এবং সেইন্ট মাইকেল’স হসপিটালের হেমেকুইটি ল্যাবের হেমাটোলজির পরিচালক মাইকেল শোলজবার্গ বলেন, আয়নের ন্যুনতম স্বাভাবিক মাত্রার সংজ্ঞা নিয়ে দেশ ভেদে পার্থক্য রয়েছে। যাদের সত্যিকারের আয়রন ঘাটতি রয়েছে তাদেরকে বিষয়টি জানানো হয়নি। কারণ, এটাকে অস্বাভাবিক মনে করা হয়নি এবং এখন এটাকে ঘাটতি বলে মনে করা হবে এবং এখানে ক্লিনিশিয়ান কার্যক্রমের প্রয়োজনীয়তা সৃষ্টি করবে।
এর আগে কিছু ল্যাব ন্যূনতম স্বাভাবিক মাত্রার বিষয়টি জানিয়েছিল এবং প্রতি লিটার রক্তে ফেরিটিনের মাত্রা ৫ এর নিচ থেকে ১৫ মাইক্রোগ্রামের নিচে। ফেরিটিন হচ্ছে ব্লাড প্রোটিন, যা আয়রনে সংরক্ষিত থাকে।
শোলজবার্গ বলেন, ১৯৯২ সালেও অনেক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় বলা হয় যে, প্রাপ্ত বয়ষ্কদের মধ্যে ৩০ এবং শিশুরোগীদের মধ্যে ফেরিটিনের মাত্রা ২০ মাইক্রোগ্রামের নিচে হলে আয়ন ঘাটতি হিসেবে ধরে নেওয়া হবে।
এটাকে মানদ- ধরে চিকিৎসকরা এখন আয়ন ঘাটতিতে ভোগা রোগীদের চিকিৎসা দিতে পারবেন। শোলজবার্গ বলেন, আমা জানি যে, প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে ফেরিটিনের মাত্রা যদি ৩০ মাইক্রোগ্রামের নিচে এবং শিশুদের মধ্যে ২০ মাইক্রোগ্রামের নিচে হয়ে থাকে তাহলে ওই ব্যক্তি রক্তশূন্যতা, ব্লাড ট্রান্সফিউশনের ঝুঁকি এবং মেজাজ ঠিক রাখ অসমর্থ বলে ধরে নেওয়া হয়।
এই পরিবর্তনটি আনার জন্য যেসব স্বাস্থ্য পেশাজীবীরা ল্যাবোরেটরিতে বছরের পর বছর ব্যয় করেছেন শোলজবার্গ তাদের একজন। হেমেকুইটি ল্যাব রেইজ দ্য বার শীর্ষক একটি ওয়েবসাইট চালু করেছে, যেখানে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের আয়রন ঘাটতি সংক্রান্ত নানা তথ্য দেবে।

