
মাদকাসক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের জন্য চিকিৎসা সম্প্রসারণ ও উন্নত করতে প্রদেশ ও অঞ্চলগুলোকে আরও বেশি কিছু করতে হবে। এ চিকিৎসাকে বাধ্যতামূলক করা হবে কিনা সে সিদ্ধান্তে যাওয়ার আগে এটা করতে হবে বলে জানিয়েছেন ফেডারেল অ্যাডিকশন মন্ত্রী ইয়ারা স্যাকস।
কানাডার ওভারডোজ সংকট মোকাবিলায় ১৫ কোটি ডলারের জরুরি চিৎিসা তহবিলের হিস্যা মিউনিসিপালিটি ও আদিবাসী সম্প্রদায়গুলোর কাছ থেকে প্রস্তাব চাওয়ার জন্য শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন মন্ত্রী। যদিও মাদকাসক্তের চিকিৎসার মতো কিছু মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার চিকিৎসা নির্দিষ্ট কিছু মানুষের জন্য বাধ্যতামূলক করা হবে কিনা সেই বিতর্ক নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন তিনি।
দেশব্যাপী চলমান ওভারডোজ সংকটের সঙ্গে কমিউনিটিগুলো খাপ খাইয়ে নিতে হিমশিম খাওয়ায় কিছু প্রদেশ এর চিকিৎসা শুরু বা বাধ্যতামূলক করার বিষয়ে আলোচনা করছে। ২০১৬ সাল থেকে কানাডায় প্রায় ৫০ হাজার মানুষ ওপিয়ড ওভারডোজের কারণে মারা গেছে।
মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা ব্যক্তি ও সংগঠনগুলোর এই প্রস্তাবে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বাধ্যতামূলক এই চিকিৎসা ফলপ্রসূ হবে কিনা সেই প্রশ্ন তুলেছেন তারা। আবার রোগীদের অধিকার নিয়ে ভয়ের কথা জানিয়েছেন নাগরিক স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা গ্রুপগুলো।
তার সরকার এই ধারণা সমর্থন করে কী করে না সে ব্যাপারে সরাসরি কোনো উত্তর দেননি স্যাকস। বারবার তিনি বলেছেন, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদেশ ও অঞ্চলগুলো এখনো সরবরাহ করছে না। চিকিৎসা যথেষ্ট জোরদার করতে প্রদেশগুলোর কাছ থেকে কোনো উদ্যোগ তিনি দেখেননি। স্বেচ্ছায় অথবা বাধ্যতামূলক চিকিৎসা নিয়ে কথা বলার আগে স্বাস্থ্য চুক্তির ২০ কোটি ডলার তারা ব্যবহার করতে পারছে এটা আমি দেখতে চাইব। দেশব্যাপী এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
আগামী দুই বছরের জন্য অটোয়া প্রদেশ ও অঞ্চলগুলোর সঙ্গে যে স্বাস্থ্যসেবা তহবিল নিয়ে নতুন যে চুক্তি করেছে সেই প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন স্যাকস। চুক্তিতে যেসব অগ্রাধিকারের কথা বলা হয়েছে তার মধ্যে মাদকাসক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্য সেবার বিষয়টিও রয়েছে।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবা প্রাদেশিক এখতিয়ার এবং তাদের উপযোগী নীতির রূপরেখা তৈরির দায়িত্ব তাদের। কিন্তু বাধ্যতামূলক সেবার ব্যাপারে কথা বলার আগে তাদের উচিত যথেষ্ট চিকিৎসা সেবা কার্যকর থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করা।

