
ডাউনটাউন অটোয়াতে গাড়ির হর্ন বাজানোর ওপর আদালত যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল তা যথেষ্ট স্পষ্ট ছিল না বলে জানিয়েছেন ফ্রিডম কনভয়ের আয়োজক ক্রিস বারবারের আইনজীবী। বারবার ও সহ-অভিযুক্ত তামারা লিচ তাদের বিরুদ্ধে যে অনাচার, ভয় দেখানো এবং অন্যদের আইন ভাঙতে উদ্বুদ্ধ করার যে অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে আত্মপক্ষ সমর্থন করছেন।
বারবারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের হর্ন বাজাতে উৎসাহিত করার মাধ্যমে আদালতের আদেশ অমান্যের বাড়তি অভিযোগের মুখে রয়েছেন। বিক্ষোভ চলাকালীন এক টিকটক ভিডিওতে দেখা যায়, বারবার অন্য বিক্ষোভকারীদের আদালতের আদেশের কারণে হর্ন না বাজাতে বলছেন। কিন্তু যদি বিপুল সংখ্যক পুলিশ কর্মকর্তা উপস্থিত হয় তাহলে না থামিয়ে তাদের হর্ন বাজানো উচিত।
ভিডিওতে বারবার বলেন, বিপুল সংখ্যক পুলিশ কর্মকর্তাকে আসতে দেখলে হর্ন বাজানো বন্ধ করা উচিত হবে না। বিচার চলাকালে ভিডিওটি কয়েকবার আদালতে দেখানো হয়েছে।
তার আইনজীবী ডায়ানে ম্যাগাস তার সমাপনী যুক্তিতে বলেন, জরুরি পরিস্থিতিসহ কিছু ক্ষেত্র এই আদেশের বাইরে ছিল। কিন্তু এই অব্যাহতি কতদূর পর্যন্ত যাবে সে ব্যাপারে অস্পষ্টতা রয়েছে। বারবার আদালতের আদেশের সীমাবদ্ধতা তার নিজের মুখে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছিলেন।
তিনি যুক্তি দেন, ওই অব্যাহতির বিষয়টি স্পষ্ট ছিল না। দাঙ্গা পুলিশের বেআইনিভাবে গ্রেপ্তারের হুমকি বারবারের মনে জরুরি পরিস্থিতির বিষয়টি চারিয়ে তুলতে পারে।
ম্যাগাস বলেন, টিকটক ভিডিওর আগের দিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বারবারের যেসব পোস্ট সেগুলোই ইঙ্গিত দেয় যে, দাঙ্গা পুলিশের উপস্থিতি তার মনে ভয়ে সঞ্চার করেছিল। গ্রেপ্তার যদি বেআইনি হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার মধ্যে কোনো অন্যায় নেই।
বারবারকে যা কিছু বলতে হয়েছে সেগুলো সাক্ষ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন ম্যাগাস। তার সবগুলো টিকটক ভিডিও সাক্ষ্য হিসেবে আসেনি। কিছু ভিডিওতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা রয়েছে, যেগুলো আদালতের সামনে হাজির করা হয়নি।
বিক্ষোভটি ছয় সপ্তাহ চলেছিল। ওই সময় বিপুল সংখ্যক বিক্ষোভকারী এবং হাজার হাজার বড় বড় ট্রাক পার্লামেন্ট হিল ও পাশর্^বর্তী নেবারহুডগুলোর কাছে ডাউনটাউন অটোয়ার মোড়গুলো বন্ধ করে দিয়েছিল। বিক্ষোভের সবচেয়ে লক্ষণীয় দিক ছিল বিরতিহীনভাবে হর্ন বাজিয়ে চলা। যদিও আদালত হর্ন বাজানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর তা কমে এসেছিল।

