
আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে বাংলাদেশী নওশিনের বিউটিব্লিস স্টুডিও। শুরুতে গ্রাহক হিসেবে পরিচিতজনেরাই ছিল বেশি।
অল্প সময়ের মধ্যেই নওশিনের ‘ন্যাচারাল লুক’ নির্ভর সাজের সুনাম ছড়িয়ে পড়ে কানাডার বাঙালি কমিউনিটিতে। সেই সাথে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে নওশিনের কাজের পরিধি এবং ক্ষেত্র।
বিউটিব্লিস স্টুডিও ইউনিক মেকআপ স্টাইল এর জন্য নর্থ আমেরিকার মিডিয়াতে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে। বর্তমানে বিয়ে, ইভেন্ট, মডেলিং, অ্যাড ইত্যাদিতে মেকআপ লুক এর জন্য কানাডাতে বিউটিব্লিস ষ্টুডিও সবচেয়ে জনপ্রিয়, এমনটাই দাবি বিউটিব্লিস সিইও এন্ড প্রিন্সিপাল মেকআপ আর্টিস্ট নওশীন ঐশীর।
বিউটিব্লিস স্টুডিও ইতিমধ্যেই কানাডায় এবং আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বিশেষ করে ভারতীয় এবং পাকিস্তানি অভিনয়শিল্পীদের চেহারা তৈরিতে দক্ষতার জন্য সুখ্যাতি অর্জন করেছে ।
নওশিন বাংলামেইলকে বলেন, “সাজের ক্ষেত্রে আমি সবচেয়ে বেশী প্রাধান্য দেই ক্লায়েন্টের ইচ্ছাকে। ক্লায়েন্ট কি চাচ্ছে শুরুতেই তা ভালো করে বুঝতে চেষ্টা করি। তারপর আমার কাজের মাধ্যমে তার ইচ্ছাকে ফুটিয়ে তুলি”।
নওশীন ঐশী বাংলামেইলকে বলেন, স্টুডিওর খ্যাতি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে কেননা বিউটিব্লিস স্টুডিও ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক মিডিয়া এবং বিনোদন জগতে নিজেদের দক্ষতা প্রমাণিত করেছেন। পাশাপাশি বিশ্ব বিনোদনমঞ্চে হাই-প্রোফাইল মিডিয়া ইভেন্টগুলিতে অবদান রেখে চলেছেন।
সম্প্রতি টরন্টো ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে (টিআইএফএফ) বাংলাদেশী জনপ্রিয় নাট্যাভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরী তার প্রথম মুভি ” সাবা” নিয়ে অংশগ্রহণ করেছেন। আর সেই ফেস্টিভ্যালে মেহজাবিনের লাল কার্পেট লুক তৈরি করেছেন টরন্টোর সবচেয়ে বিখ্যাত সৌন্দর্য গন্তব্য নওশিনের বিউটিব্লিস স্টুডিও।
এ বিষয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে নওশিন বলেন, “মেহজাবিনের সঙ্গে কাজ করে আমরা একেবারেই রোমাঞ্চিত। এটি শুধুমাত্র বিউটিব্লিস স্টুডিওর জন্য একটি সম্মান নয়, এটি একটি প্রমাণও যে আমরা একটি ব্র্যান্ড হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে কতদূর এসেছি”।

