
কানাডায় হাতি ও গ্রেট এপ বন্দী না রাখার প্রস্তাবিত আইনটি বাস্তবায়নে আগামী পাঁচ বছরে খরচ হবে ৮০ লাখ ডলার। সংসদীয় বাজেট কর্মকর্তা ৮ আগস্ট নতুন এক বিশ্লেষণে এমনটাই জানিয়েছেন।
প্রাক্কলিত এই ব্যয়ের বড় অংশই ব্যয় হবে প্রাণীদের গতিবিধি জানতে নতুন উপাত্ত ব্যবস্থা তৈরি ও তার ব্যবস্থাপনায়। এই মুহূর্তে প্রায় দুই ডজন হাতি এবং প্রায় ৩০টি গরিলা, শিম্পাঞ্জি ও ওরাংওটাং রয়েছে।
ফেডারেল সরকার এই উপসংহারকে অনুমাননির্ভর বলে আখ্যায়িত করেছে। তারা বলেছে, এটা এমন একটি আইনের ভিত্তিতে যা এখনো পাসই হয়নি।
গত নভেম্বরে সরকার সেনেটে বিল এস-১৫ উত্থাপন করে, যার ভিত্তি এর আগে সাস্কেচুয়ানের সেনেটর মার্টি ক্লাইনের প্রস্তাবিত প্রাইভেট মেম্বার বিল। এই ফলে এটি সেনেটে চূড়ান্ত ভোটে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তার আগে প্রথমবারের মতো এটির ওপর হাউস অব কমন্সে বিতর্ক হবে।
আইনে হাতি এবং গলিা, শিম্পাঞ্জি ও ওরাংওটাংয়ের মতো গ্রেট এপ অধিগ্রহণ ও প্রজনন নিষিদ্ধের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এরই মধ্যে যেগুলো বন্দী অবস্থায় আছে সেগুলো সেভাবেই থাকবে। কিন্তু নতুন লাইসেন্স প্রদান করা হবে কেবলমাত্র সংরক্ষণ অথবা প্রাণী কল্যাণের উদ্দেশে। অনুমোদন ছাড়া প্রজনন থাকবে নিষিদ্ধ।
বর্তমানে যে হাতিগুলো বন্দী অবস্থায় আছে সেগুলোর মধ্যে ১৫টির জন্ম কানাডিয়ান জুতে, চারটির জন্ম বনে এবং বাকিগুলোর জন্ম ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র ও এশিয়ার বিভিন্ন স্থানে।
বিলটির প্রস্তাবক কনজার্ভেটিভ সেনেটর ডন প্লেট। এতে কত খরচ হতে পারে সংসদীয় বাজেট কর্মকর্তাকে তার হিসাব করতে বলেছিলেন তিনি।
তাদের বিশ্লেষণ অনুুযায়ী, আইনটি বাস্তবায়নে প্রথম তিন বছর খরচ হবে বার্ষিক ২০ লাখ ডলার। পরের দুই বছরে খরচ হবে বার্ষিক ১০ লাখ ডলার।

