
ডিজঅ্যাবিলিটি নিয়ে কাজ করা টরি লেসির কোস্টারিকায় অবকাশ যাপনটা আনন্দদায়ক হবে বলেই ধরে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা শুরু হয় পীড়ন দিয়ে। উড়োজাহাজ থেকে তাকে নামানো হয় ভাঙ্গা চেয়ারে করে খুবই বাজেভাবে।
সিটিনিউজকে তিনি বলেন, এটা ছিল সত্যিই খুব ভয়ের। সব সময় আমি এই চিন্তা করছিলাম যে, তারা যদি চেয়ারটি আমাকে দিত। আমি এক পাশে প্রায় পড়েই যাচ্ছিলাম। ঘাড় নিয়ন্ত্রণের কোনো ব্যবস্থা আমার চিল না। আমার কোনো ট্রাঙ্ক সাপোর্ট ছিল না। তাই আমাকে বালিশের সাহায্য নিতে হয়েছিল। আমার বাবা আমাকে চেয়ারে ধরে রাখতে সাহায্য করছিলেন।
লেসি বিরল জেনেটিক সমস্যায় ভুগছেন, যাকে স্পাইনাল মাস্কুলার অ্যাট্রফি (এসএমএ) বলা হয়ে থাকে। এতে মোটর নিউরন ক্ষগ্রিস্ত হয়।
টরন্টোর সানিব্রুক হেলথ সায়েন্সেস সেন্টারের নিউরোলজিস্ট ডা. অ্যারন আইজেনবার্গ এটির ব্যাখ্যা করে বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর ফলে দুর্বলতা বেড়ে যায়। আক্রান্ত ব্যক্তির বাহু ও পা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাশাপাশি তাদের শ^াস নিতে সমস্যা হয় এবং মাংসপেশী ফুলে যায়। শেষ পর্যন্ত এটা স্কোলিওসিস এবং চলৎশক্তি হারানোর মতো অবস্থাও সৃষ্টি করে। এ কারণে লেসি মোটরচালিত হুইলচেয়ার ব্যবহার করেন এবং সিঁড়ি দিয়ে যেতে পারেন না।
এয়ারলাইনকে এই সীমাবদ্ধতা জানানো সত্ত্বেও তারা জানায়, জেট ব্রিজের ব্যবস্থা করা যায়নি। এবং এটা ছাড়াই আমাকে এক সিঁড়ি থেকে আরেক সিঁড়ি বেয়ে উড়োজাহাজ থেকে নামতে হবে।
ঘটনাটি আজও তাকে তাড়া করে ফেরে বলে জানান লেসি। এই আগস্টে স্পাইনাল মাস্কুলার অ্যাট্রফির মাসে তার প্রত্যাশা, তার এই অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার অর্থ হলো কাউকে যেনো এই অপমানজনক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে না যেতে হয়।

