Latest Posts

পিয়ারসন বিমানবন্দরে চুরি যাওয়া স্বর্ণ গেছে ভারত অথবা দুবাইয়ে

- Advertisement -
২০২৩ সালে টরন্টো পিয়ারসন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চুরি যাওয়া স্বর্ণের বড় অংশ বিদেশে পাচার, বিক্রি এবং গলানো হয়েছে বলে বিশ্বাস পুলিশের

২০২৩ সালে টরন্টো পিয়ারসন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চুরি যাওয়া স্বর্ণের বড় অংশ বিদেশে পাচার, বিক্রি এবং গলানো হয়েছে বলে বিশ্বাস পুলিশের। ২১জুন পিল পুলিশ বোর্ডের এক বৈঠকে এ ঘটনার তদন্তের বিষয়ে হালনাগাদ তথ্য দেন সদস্যরা। তারা বলেন, চুরি যাওয়া এই স্বর্ণের সামান্য পরিমাণ টরন্টো এরিয়ার স্বর্ণের দোকানগুলোতে গলানো হয়েছে। বাকি স্বর্ণ দেশের বাইরে চলে গেছে।

ডিটেক্টিভ সার্জেন্ট মাইক ম্যাভিটি বলেন, তাদের বিশ^াস এই স্বর্ণের বড় অংশ গেছে বিদেশে বিপণনের উদ্দেশে। সেটা হতে পারে দুবাই অথবা ভারত, যেখানে সিরিয়াল নাম্বারসহ আপনি স্বর্ণ নিতে পারেন। এটা আমাদের ধারণা এবং আমরা বিশ^াস করি এটা ঘটেছে চুরি যাওয়ার পরপরই।

- Advertisement -

এই ঘটনায় এয়ার কানাডার কার্গো ফ্যাসিলিটি থেকে ৬ হাজার ৬০০টি স্বর্ণের বার চুরি হয়ে যায়, যার আনুমানিক মূল্য ২৫ লাক ডলার। ২০২৩ সালের ১৭ এপ্রিল সন্ধ্যায় চুরির ঘটনাটি ঘটে। সন্দেহভাজন পাঁচ টনের ট্রাকে করে ওয়্যারহাউসে এসেছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশেল অভিযোগ, এয়ার কানাডার কর্মকর্তাকে ভুয়া এয়ার ওয়েবিল প্রদর্শনের পর সন্দেহভাজন ব্যক্তি চুরি যাওয়া স্বর্ণ ও ব্যাংক নোট হাতে পান। এর কিছুক্ষণ পরই কার্গো ফ্যাসিলিটিতে একটি ফর্কলিফট পৌঁছায় এবং ট্রাকের পেছনের দিকে স্বর্ণ ও মুদ্রাগুলো ভর্তি করা হয়। এরপর একজন সন্দেহভাজন স্বর্ণের বারগুলোসহ গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়। চুরি যাওয়া এই স্বর্ণের মূল্য আনুমানিক ২ কোটি ডলার।

স্বর্ণ ভর্তি কনটেইনারটি শনাক্তে ব্যর্থ হয়ে এয়ার কানাডা অব্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করে। পরদিন ভোর তিনটার আগে পিল রিজিয়নাল পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করা হয়।
পিল রিজিয়নাল পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তদন্তে ২৮ হাজার ঘণ্টার মতো ব্যয় হয়েছে এবং অতিরিক্ত সময় লেগেছে সাড়ে ৯ হাজার ঘণ্টা। এই কর্মঘণ্টার আনুমানিক মূল্য ১১ লাখ ডলার।

ফাইন্যান্স কমিটির চেয়ার ও পর্ষদ সদস্য অ্যালান বোটন বলেন, আমি সেকেলে মানুষ। তাই নিয়মিত সময়ের জন্য ঘণ্টাপ্রতি ১২৫ ডলার ধরতে চাই। তাতে করে এই পর্যায়ে খরচ দাঁড়ায় ৫২ লাখ ৯৩ হাজার ডলার এবং প্রকল্পটি সমাপ্তির কাছাকাছি পৌঁছায়নি।

স্বর্ণ চুরির এই ঘটনায় ২০২৪ সালের এপ্রিলে পাঁচ সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার ও সন্দেহভাজনদের ধরতে কানাডাব্যাপী তিনটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। চতুর্থ সন্দেহভাজন ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রে। সন্দেহভাজনরা এরপর থেকে জামিনে মুক্ত রয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুই সন্দেহভাজন যুক্তরাজ্য, ভারত ও দুবাইয়ে অবস্থান করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

- Advertisement -

Latest Posts

Don't Miss

Stay in touch

To be updated with all the latest news, offers and special announcements.