
এই গ্রীষ্মে বাইরে বেরোনো অন্টারিওবাসীরা লাইম ডিজিজের সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে ভালোমতোই জেনে থাকবেন বলে মনে করা হচ্ছে। রোগটি হয়ে থাকে টিক বাইটের ফলে।
কিন্তু কালো পায়ের টিকের মাধ্যমে আরও তিনটি প্যাথোজেন পরিবাহিত হতে পারে, সবারই তা জানা উচিত বলে মনে করেন জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। সেই সঙ্গে অন্টারিওতে এরই মধ্যে রোগটি শনাক্ত হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছেন তারা।
অ্যানাপ্লাজমোসিস, বেবসিওসিস এবং পাওয়াসান ভাইরাস নিয়ে সংক্ষিপ্তসার গত মাসে প্রকাশ করেছে পাবলিক হেলথ অন্টারিও (পিএইচও)। সবগুলোকেই জনস্বাস্থ্য গুরুত্বপূর্ণ রোগ হিসেবে ২০২৩ সালের ১ জুলাই চিহ্নিত করেছে স্বাস্ত্য মন্ত্রণালয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, অন্টারিওতে গত বছর অ্যানাপ্লাজমোসিসের ৪০টি ঘটনা শনাক্ত হয়, যার মধ্যে ১৭টি নিশ্চিত এবং ২৩টি সম্ভাব্য। সেই সঙ্গে বেবসিওসিসের ঘটনা শনাক্ত হয় ১৫টি। তবে পাওয়াসান ভাইরাসের কোনো ঘটনা শনাক্ত হয়নি।
অধিকাংশ ঘটনাই ঘটেছে গ্রীষ্মের মাসগুলোতে। শুধু জুলাইয়ে অ্যানাপ্লাজমোসিসের ঘটনা শনাক্ত হয় ১৬টি এবং বেবসিওসিসের ঘটনা ধরা পড়ে ১০টি। পিএইচওর উপাত্তে দেখা গেছে, পাবলিক হেলথ ইউনিটগুলো অ্যানাপ্লাজমোসিসের যে সংক্রমণ শনাক্ত করেছে তার বেশিরভাগই পূর্ব অন্টারিওতে। কিংস্টন-ফ্রন্টেনাক এবং লেনক্স এবং লেক্সিংটন এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। সেখানে সংক্রমণের ১৩টি থেকে ১৫টি ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। বেবসিওসিসের সংক্রমণ ছিল অনেকটা বিস্তৃত। টরন্টোতে শনাক্ত হয়েছে দুটি সংক্রমণ। কিন্তু এই রোগগুলো কী এবং লাইম ডিজিজ থেকে সেগুলো কোথায় আলাদা সে ব্যাপারে ডা. রিচার্ড ম্যাথারের সঙ্গে কথা বলেছে সিটিভি নিউজ টরন্টো।
তিনি বলেন, একটি বড় পার্থক্য হচ্ছে লাইম ডিজিজে আক্রান্ত ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ রোগীর শরীরে র্যাশ দেকা যায়। অ্যানাপ্লাজমোসিস বা বেবসিওসিসে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে এমনটা দেখা যায় না।
কারো কাপড়-চোপড়ে টিক বসলে ধোয়ার আগে তা ১০ মিনিটের জন্য উচ্চ তাপমাত্রায় ড্রায়ারে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

