
সিরিয়ায় আটক চার কানাডিয়ান সুপ্রিম কোর্ট অব কানাডার প্রতি শুনানির জন্য তাদের আবেদন পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছেন, যাতে করে তাদের স্বাধীনতার দরজা খুলে যায়। গত নভেম্বর সর্বোচ্চ আদালত একটি ফেডারেল কোর্ট অব আপিলের রুলিং চ্যালেঞ্জ করে করা ওই চার ব্যক্তির আপিল শুনতে অস্বীকার করে। ওই রুলিংয়ে বলা হয়, আইনের অধীনে অটোয়া তাদের প্রত্যাবাসনে বাধ্য নয়।
প্রথা মেনে আদালত বিষয়টি খতিয়ে দেখতে অস্বীকৃতির কোনো কারণ সে সময় জানায়নি আদালত। সর্বোচ্চ আদালতে দাখিল করা নতুন এক নোটিশে ওই চার ব্যক্তির আইনজীবীরা বলেছেন, বিরল পরিস্থিতি আবেদন আরেকবার বিবেচনার নিশ্চয়তা দিয়ে থাকে।
কুর্দি বাহিনী পরিচালিত জরাজীর্ণ ডিটেনশন সেন্টারে যে অসংখ্য বিদেশি নাগরিক বন্দি অবস্থায় রয়েছেন ওই চার কানাডিয়ান তাদের অন্যতম। কুর্দি বাহিনী যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলটি জঙ্গী গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড লেভান্তের কাছ থেকে উদ্ধার করেছে।
আটক কানাডিয়ানদের মধ্যে একজন হলেন জ্যাক লেটস। কৈশোরে তিনি ধার্মিক মুসলমানে পরিণত হন এবং ছুটিতে জর্ডানে যান। এরপর সিরিয়া যাওয়ার আগে কুয়েতে পড়াশোনা করেন। আটক বাকি চার কানাডিয়ানের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
সর্বোচ্চ আদালতে দাখিল করা মূল আবেদনে আটক ব্যক্তিদের আইনজীবীরা বলেন, আমাদের মক্কেলদের কোনো ধরনের অভিযোগপত্র বা বিচার ছাড়াই কয়েক বছর ধরেই জোরপূর্বক আটকে রাখা হয়েছে। লোকজনে গাদাগাদি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তাদেরকে আটক রাখা হয়েছে। একজন কানাডিয়ানকে আরও ৩০ জনের সঙ্গে একটি সেলে রাখঅ হয়েছে, যেটা তৈরি আসলে ছয়জনের জন্য। পর্যাপ্ত খাবার ও স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা তাদের জন্য নেই এবং একজন বন্দি কানাডিয়ান সরকারের এক কর্মকর্তার কাছে তার ওপর নির্যাতন চালানোর কথা জানিয়েছেন।

