
কানাডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকদের অ্যাসোসিয়েশন তাদের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে অনাবশ্যক ভ্রমণের বিরুদ্ধে সতর্ক করে দিয়েছে। দ্য কানাডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটি টিচার্স তাদের হালনাগাদ ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি মঙ্গলবার প্রকাশ করেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সৃষ্ট রাজনৈতিক পরিবেশ এবং কিছু কানাডিয়ানের সীমান্ত পাড়ি দিতে সমস্যায় পড়া সংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হওয়ার পর ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি হালনাগাদ করল অ্যাসোসিয়েশন।
অ্যাসোসিয়েশন বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনাকর কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে এমন দেশ থেকে আসা শিক্ষক অথবা যারা নিজেরাই ট্রাম্প প্রশাসন সম্পর্কে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেছেন তাদের উচিত যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে সতর্কতা অবলম্বন করা।
অ্যাসোসিয়েশনের এই সতর্কতা বিশেষভাবে শিক্ষকদের উদ্দেশ্য করে, যারা ট্রান্সজেন্ডার অথবা যাদের গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রশাসন বাজেভাবে উঠে এসেছে।
অ্যাসোসিয়েশন আরও বলেছে, কী ধরনের তথ্য তাদের ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসে আছে অথবা প্রয়োজন শিক্ষকদের উচিত সে ব্যাপারে সতর্ক থাকা। সীমান্ত অতিক্রমের সময় এবং সংবেদনশীল তথ্য সুরক্ষার প্রয়োজনে এই সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে তাদের।
বিদেশিদের সাতদিন বা তার বেশি সময়ের জন্য ডিটেনশন বা প্রোসেসিং সেন্টারে পাঠানোর খবর পাওয়া যাচ্ছে। কানডিয়ান জেসমিন মুনি, জার্মানির একজোড়া পর্যটক ও ওয়েলসের একজন ব্যাকপ্যাকারের ঘটনা গত জানুয়ারিতে ট্রাম্প প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণের পর খবরের শিরোনাম হয়েছে।
কানাডিয়ান সরকারও সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের ক্ষেত্রে ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি হালনাগাদ করেছে। তাতে সীমান্তরক্ষীদের দ্বার তল্লাশি এবং প্রবেশের অনুমতি না মিললে আটকের সম্ভাবনার বিষয়ে বাসিন্দাদের সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।

